English to Bengali, বাংলা ও ইংরেজি, Online English to Bengali Tense, English Gramma

শিক্ষায় জীবন

আজ আপনাদের কিছু অবাক তথ্য তথা কিছু মনবৈজ্ঞানিক তথ্য জানাতে চলেছি। মজার তথ্য PSYCHOLOGICAL FACTS IN BENGALI PRESENTING PSYCHOLOGICAL FACTS,

 মজার তথ্য PSYCHOLOGICAL FACTS IN BENGALI PRESENTING PSYCHOLOGICAL FACTS,

আজ আপনাদের কিছু অবাক তথ্য তথা কিছু মনবৈজ্ঞানিক তথ্য জানাতে চলেছি।


1. আপনার কাছে থেকে কেউ কথা লুকোচ্ছে? এক কাজ করুন তাকে আপনি গভীর রাতে ফোন করুন বা গভীর রাতে তার সঙ্গে কথা বলুন, কারণ এই সময়টিতে মানুষের মনের কথা মুখ দিয়ে বেড়িয়ে আসার সম্ভাবনা বেশি। আর এর পেছেন কারণটি হল- সারাদিনের ক্লান্তির দরুন, তার মস্তিষ্ক বেশি কিছু ভাবে না, আর সে মুখ দিয়ে যা কিছু বলবে, তার অধিকাংশই খাঁটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

2. কি ভাবছেন হাসা কি অতি সহজ? না তা আসলে নয়। হাসার জন্য আমাদের মস্তিষ্কের পাঁচটি পৃথক পৃথক অঙ্গের একসাথে কাজ করার দরকার হয়। তাই সহজে হাসা সম্ভব নয়।

3. নিজের সবথেকে কাছের বন্ধুকে বিয়ে করলে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা ৭০% কমে যায়। আর এই বিবাহ আজীবন সাথে থেকে চলার অনুপ্রেরনা দেয়। কারণ আপনারা ইতিমধ্যে একে- অপরকে ভালোমত জানেন, এবং একে অপরকে বোঝেন। যদি অজানা মানুষের সাথে আপনার বিবাহ হয়, তাহলে আপনাদের একে অপরকে বুঝতেই অনেকটা সময় চলে যাবে।

4. হুম তবে দেখা যায়, ভালোবাসার বিবাহ গুলিতে মানুষ বেশি আত্মহত্যা করে। আর এর পেছনে কারণ হল- একে অপরকে বুঝতে পারার অক্ষমতা।


5. আমাদের শরীর কখন দুর্বল বোধ করে জানেন? যখন আমরা নেতিবাচক চিন্তা- ভাবনা মনে পুষে রাখি।

6. চকোলেট এবং অনলাইন শপিং করার নেশা সিগারেট, ড্রাগের নেশার থেকেও বেশি ভয়ংকর।

7. যখন আমরা নিজের কাজের মধ্যে ডুবে থাকি তখন দেখবেন আমাদের কেমন যেন ফুর্তি ফুর্তি অনুভব হয়। আর এর কারণ হল তখন আমাদের মস্তিষ্ক থেকে নেতিবাচক ভাবনা-চিন্তা গুলি মুছে যায়, তাই।


8. যে সমস্ত ব্যাক্তি মিথ্যা কথা বলতে অভ্যস্ত, সেই সমস্ত ব্যাক্তিরা অন্যের কথায় ক্ষুদ ধরতেও অভ্যস্ত।

9. পৃথিবীর প্রায় ৬৮% মানুষ Phantom Vibration syndrome –এ ভুগে থাকেন। যেখানে মাঝে মাঝেই তাদের মনে হয় যে, তাদের মোবাইলটি vibrate করছে, যদিও আসলে মোবাইল Vibrate করছে না। এই সমস্যা তাদের সাথেই বেশি হয় যারা অধিকাংশ সময়েই তাদের মোবাইল Vibrate Mode –এ রাখেন।

10. আমাদের ফ্যাশন এবং কোনো বস্র পরিধান সরাসরি আমাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে সম্বন্ধিত। যখন আমরা ভালো বস্র পরিধান করি তখন আমাদের মন নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। এবং আমরা বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়ি।

11. একটি সার্ভে মোতাবেক একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সেটি হল- মে মাসে যে সমস্ত বাচ্চারা জন্ম নেয়, তাদের ওজন অন্য মাসে জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের ওজনের তুলনায় একটু বেশি হয়। এর পেছনে কি কারণ কাজ করছে, তা আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

12. আরেকটি সার্ভে অনুসারে, মানুষ টাকা দিয়ে সম্পত্তি কেনার চেয়ে ভ্রমণ, সিনেমা দেখা, খেলা দেখা ইত্যাদিতে বেশি সন্তুষ্ট হয়।

13. আপনি চেষ্টা করলেও এক সময়ে তিন বা চারটির বেশি জিনিসের কথা কখনোই মনে রাখতে পাড়বেন না।

14. অনেকটা সময় ভাব গম্ভীর হয়ে একাকি থাকা এবং দিনে পনেরোটা সিগারেট খাওয়া একই ব্যাপার বলে মনবিজ্ঞানীরা মনে করেছেন।

15. যদি কোনো বন্ধুত্ব সাত বছরের বেশি স্থায়ী হয়, তাহলে বেশিরভাগ সময় সেই বন্ধুত্ব আজীবন টিকে থাকার সম্ভাবনা ৯৫% বেশি।

16. একটি সাইকোলজি অনুসারে অধিকাংশ মানুষের প্রেমে পড়তে সময় লাগে মাত্র – চার মিনিট।


17. যদি কেউ আপনাকে বলে- “তুই আগের থেকে বদলে গেছিস”, তাহলে ধরে নেবেন যে আগে আপনার মধ্যে বিশেষ কিছু ছিল যা তার ভালো লাগত কিন্তু সেই বিশেষ গুনটি আপনার মধ্যে সে আর দেখতে পাচ্ছে না।

18. কারও কাছে ক্ষমা চাওয়ার অর্থ এটি নয় যে, আপনি ভুল আর সেই ব্যক্তিটি ঠিক। আসলে আপনার কাছে ইগোর তুলনায় সেই ব্যাক্তিটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

19. যে ব্যাক্তি ভীরের মধ্যে নিজের পকেটে হাত ঢুকিয়ে নেন, তিনি আসলে খুব লাজুক স্বভাবের হয়ে থাকেন।

20. সাইকোলজি বলে যে ব্যাক্তি যত খুশি, সেই ব্যাক্তির ঘুমের চাহিদাও ততই কম হয়ে থাকে।

21. যদি আপনি কাউকে কলম দিয়ে থাকেন,সেই কলমটি ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় থাকে না। যখন কেউ আপনার কাছে কলম চায়, তখন তাকে কলমের টুপি ছাড়া দিন। এরফলে অধিকাংশ মানুষ আপনার কলম আপনাকে ফিরিয়ে দেবে, কারণ কেউই একটি টুপি ছাড়া কলম নিজের পকেটে রাখতে চাইবে না।

22. যেসমস্ত মেয়েদের ছেলে বন্ধু (হতে পারে স্কুলের, কলেজের ইত্যাদি ইত্যাদি) বেশি থাকে, তারা অন্য মেয়েদের তুলনায় অধিক cool থাকে। এবং তারা অধিক চিন্তা মুক্ত থাকে ও মনে অধিকাংশ সময় ফুর্তি ভাব থাকে। ঠিক একই রকম বিষয় কাজ করে ছেলেদের মধ্যেও। তবে খালি বন্ধু থাকলে হবে না, যোগাযোগ রাখাটাও এক্ষেত্রে জরুরি।

23. যদি আপনি আপনার লক্ষ্যের কথা সবার সামনে বাড়বার বলেন, তবে সম্ভাবনা আছে, সেই লক্ষ্যটি আপনার কোনোদিনই পূরণ হবে না। কারণ প্রচারের মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের অনুপ্রেরণা হারিয়ে ফেলছেন।

24. যে সমস্ত ব্যাক্তি কোনো মানুষের কাজ দেখেই তার ভালোমন্দ বিবেচনা না করেই, তার সমালোচনায় মুখর হন তিনি আসলে আত্মবিশ্বাস হীনতায় ভুগছেন।

25. দেখা গেছে যে, যেসমস্ত মানুষ বোকার মত প্রশ্ন করে এবং কোনো পরিস্থিতিতে হঠাৎ উত্তর দিয়ে দেয়, তারা আদতে একটু বেশি বুদ্ধিমান স্বভাবের হয়ে থাকে।

26. কোনো মানুষ যদি জেনেশুনে মিথ্যা কথা বলে, তাহলে তার নাক গরম হয়ে যায়। আপনি লক্ষ্য করবেন যে তার নাক ঘেমে যাচ্ছে, বা সে বাড়বার নাকে হাত দিচ্ছে। এরথেকেই আপনার বুঝে নেওয়া উচিত যে, সে আদতে মিথ্যে বলছে।  


27. আপনি কোনো মানুষের সাথে কথা বলার সময় যদি লক্ষ্য করেন যে, সে বারংবার তার পা দিয়ে মাটিতে দাগ কাটছে বা পা এদিক- ওদিক করছে বা সে আগে- পিছে হচ্ছে, তাহলে আপনার বুঝে নেওয়া উচিত যে, সে আপনার সাথে আর সময় কাটাতে চাইছে না।

28. যখন আপনি কাউকে মন থেকে ভালোবাসেন, তখন আপনি লক্ষ্য করবেন যে, আপনি চাইলেও তার সামনে মিথ্যে কথা সহজে বলতে পাড়ছেন না।

29. যদি আপনি দেখেন যে, কোনো মানুষ হঠাৎ করেই প্রচণ্ড রেগে যাচ্ছেন, তার মানে হল সে ওই সময়টিতে প্রচণ্ড চাপে আছে, বা তার মাথায় কোনো গভীর চিন্তা চলছে, তাই এইসময়টিতে আপনার উচিত, তাকে বিরক্ত না করে একটু ভালোবাসা দেওয়ার।

30. যে সমস্ত ব্যাক্তি নিজে- নিজেই কথা বলে তারা আসলে স্মার্ট স্বভাবের হয়ে থাকে।

31. উচ্চ এবং দ্রুত বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষেরা বেশি রাতে ঘুমোতে পছন্দ করেন।

32. যদি আপনি আপনার পছন্দের গানকে আপনার alarm –এ সেট করে দেন, তাহলে দু-এক দিনের মধ্যেই সেই গানটির প্রতি আপনার বিরক্ত চলে আসবে। যেমন- কিছুদিন আগে ভাইরাল হয়েছিল রানু মণ্ডলের গান। অনেক মানুষই এটিকে ringtone, alarm –এ লাগিয়ে দেয়। কিন্তু কিছুদিন পর এমন একটা পর্যায় আসে, যেখানে তার গান শুনলেই মানুষ রেগে যেত। 

33. আমাদের মস্তিষ্ক সবসময় সমস্যা খুঁজে। আর এর কারণেই আমরা একটি সাধারণ ছোট্ট ব্যাপারকেও বড় বানিয়ে ফেলি।


34. একটি সত্য ঘটনার তুলনায় মানুষ একটি মিথ্যা সাজানো ঘটনায় বেশি দ্রুত বিশ্বাস করে ফেলে। আর আপনি চাইলেও তাকে সত্যটি সহজে বোঝাতে পাড়বেন না। কিন্তু মিথ্যে বলুন কয়েক সেকেন্ডেই সে বিশ্বাস করে ফেলবে।

35. অধিকাংশ কমেডিয়ান এবং অন্যকে আনন্দ প্রদানকারী ব্যাক্তিরা আসলে বেশি দুঃখী হয়ে থাকে এবং তারা একাকীত্বে ভোগে।

36.যে ব্যাক্তি সবসময় হাসি খুশি থাকে, খোঁজ নিয়ে দেখবেন, সে তার ভিতরে অনেক জ্বালা- যন্ত্রণা পুষে রেখেছে।

37. যেসমস্ত ব্যাক্তিদের I.Q level বেশি হয়ে থাকে, তারা সহজে কারো প্রেমে পড়েনা। এরা অনেক কঠিন স্বভাবের হয়ে থাকে।

38. একটি সার্ভে মোতাবেক- অধিকাংশ মহিলা একটি কথা ৪৭ ঘণ্টা ১৯ মিনিট পর্যন্ত গোপন রাখতে পারে। তারপর সে অন্যকে বলবেই। 




পোস্ট টি পড়ে  যদি আপনি একটুও উপকৃত হন , তাহলে একটি কমেন্ট এবং আপনার কাছে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন ধন্যবাদ 






স্বামী বিবেকানন্দের বাণীই হোক পাথেয়, স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত বাণী

  স্বামী বিবেকানন্দের বাণীই হোক পাথেয়

       ১৮৬৩ সালের ১২ জানুয়ারি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন স্বামী বিবেকানন্দ। বর্তমানে দেশজুড়ে 'জাতীয় যুব দিবস' হিসেবে তাঁর জন্মদিন পালিত হয়। শুধু ভারতবর্ষ নয়। তাঁর বাণী, অনুপ্রেরণায় ভর করেই এগিয়ে চলেছে জাতি। সেই বাণীই হোক আজ আমাদের জীবনের পাথেয়।


  • বিবেকানন্দের মতানুসারে, রামকৃষ্ণ দেবের কাছ থেকে পাওয়া তার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হচ্ছে শিব জ্ঞানে জীব সেবা। তাই তিনি বলেছেন- মানুষের সেবা করা হচ্ছে ঈশ্বরের সেবা করা।

  • যুবসমাজের জন্য তাঁর সেই যুগাতীত বাণী- 'জেগে ওঠো, সচেতন হও এবং লক্ষ্যে না-পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না।" আজও একইভাবে জাগ্রত করে তোলে।

  • বিবেকানন্দের কথায়, “নিজের উপর বিশ্বাস না এলে … ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস আসে না।”


  • “সত্যের জন্য সব কিছুকে ত্যাগ করা চলে, কিন্তু কোনো কিছুর জন্য সত্যকে ত্যাগ করা চলে না।”


  • “যদি সত্যিই মন থেকে কিছু করতে চাও তাহলে পথ পাবে; আর যদি না চাও তাহলে অজুহাত পাবে।”



পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত ভাষণ 9 থেকে 12 শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজ শিকাগোতে বিশ্ব ধর্মের সংসদে স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত ভাষণ আগামী বছর থেকে ক্লাস 9 থেকে 12 পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি জানিয়েছেন।



পোস্ট টি ভালো লাগলে একটি  COMMENT করবেন 
THANK YOU 





গমের উপকারিতা–Benefits of Wheat

গম এর উপকারিতা

গমের খাওয়া থেকে শরীরের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যা নিম্নলিখিত পয়েন্টগুলিতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে:

    গমের উপকারিতা–Benefits of Wheat

  1. গাঁটের ব্যাথাকে কমায়

         যে বয়সই হোক না কেন এটি গাঁটের ব্যাথাকে কমানোর ক্ষেত্রেও একে কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন।

2. খুশকিও দূর করে

        আপনি যদি গমের রসকে মাথায় লাগিয়ে রাখেন ও তারপর ১৫ মিনিট পরে মাথা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলেন, তাহলে তাহলে আপনার খুশকি নিয়ে দুশ্চিন্তাও মিতে যাবে।

3. ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন

       একজিমা, রোদে পুড়ে যাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এটিকে অয়েন্টমেন্টের মতো ব্যবহার করলে দ্রুত ফল পাবেন। ব্রন বা মুখের দাগের ক্ষেত্রেও এটির উপকারিতা পাবেন,


4. ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী এটি

       আপনার যদি থাকে ডায়াবেটিস, তাহলে রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের মধ্যে দিয়ে এটি সেক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করে।

5. লিভারের পক্ষে উপকারী

       আপনার পেটের এই অংশটি যদি সুস্থ না থাকে, তাহলে হজম না হওয়া থেকে শুরু করে আরও বিপজ্জনক নানান অসুখই হতে পারে আপনার। এ ক্ষেত্রে গমের রস সার্বিকভাবে আপনার লিভারকে পুরোপুরি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

6. দাঁতের ক্ষয় রদ করে

      দাঁতকে দীর্ঘায়ূ করার ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা গুরুত্বপুর্ন। দাঁতের মাড়িকেও এটি সুস্থ রাখে।

7. হার্টের ক্ষেত্রে উপকারী

     এতে থাকা ক্লোরফিল আপনার কার্ডিওভাসকুলার মেকানিজমকে স্বক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।

8. আপনার বয়সকে ধরে রাখে

     এতে থাকা এনজাইমের একাধিক উপকারিতার মধ্যে এটি একটি। আপনার বয়সের ছাপও আপনার শরীরে ও মনে পরবে না। বয়সের গতিও অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে এর নিয়মিত ব্যবহার।

9. স্ট্রেস কমায়

     গমের রসে থাকা ভিটামিন বি মানসিক স্ট্রেসকে অনেকটাই নিরসন করে। ডিপ্রেশনের ক্ষেত্রেও কাজে দেয়।

10. আপনার যৌন ক্ষমতার বিকাশ ঘটায়



       ম্যাগনেশিয়াম, ক্লোরফিল ও এনজাইমের ফলে আপনার শরীরে সেক্স হরমোনের ক্ষরনের কোনও খামতি হয় না। এতে আপনার লিবিডো ও সেক্সুয়াল ক্ষমতা বাড়ে। নিয়মিত এটি ব্যবহার করলে আপনার সঙ্গিকে খুশি করার আত্মবিশ্বাসেরও কোনও অভাব হবে না।

11. ক্লোরফিলের প্রভুত জোগান

      এতে ক্লোরফিলের ৭০ শতাংশ উপস্থিতি আপনাকে একসাথে একাধিক দুরূহ রোগের হাত থেকে বাঁচায়। এমনকি, ক্লোরফিলের এত ভালো জোগান আপনি আর কোনও ভেষজে পাবেন না। এই পরিমাণ ক্লোরোফিল রক্ত শোধিত করতে, হার্টের একাধিক সমস্যার ক্ষেত্রে ও অন্যান্য সমস্ত শারীরিক সমস্যায় খুবই গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা নিয়ে থাকে।

 12. শরীরকে দুষন থেকে রক্ষা করে

      এতে থাকে শক্তিশালী এনজাইম ও বায়ো কেমিক্যাল যা দূষিত টক্সিন, ভারী ধাতু, এমনকি রেডিয়েশন থেকেও আপনার শরীরকে রক্ষা করে।

13. অ্যান্টিব্যকটেরিয়াল

    এটি একটি অ্যান্টিব্যকটেরিয়াল উপাদান। আপনার শরীরে বাসা বেঁধে থাকা সমস্ত ক্ষতিকর ব্যকটেরিয়াগুলিকে নির্মুল করার জন্য এটি একটি অদ্বিতীয় উপাদান।

14. কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রনে রাখে

    এতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে অনেকটা নিয়ন্ত্রনে রাখে।

15. আপনার নখের সৌন্দর্য্য বাড়ায়



      এতে থাকা আয়রন আপনার নখের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনেকটা প্রভাব ফেলে। ফলে গমের রসে এতগুলি সমাধান যখন  একসাথে পাচ্ছেন, তখন বাকি সমস্ত কিছুর থেকে একে আলাদা করে দেখতেই হবে। বিশেষজ্ঞদের কাছে তাই এটি “মিরাকেল ফুড” – এর তকমা পেয়েই গেছে। আপনি যদি চান আপনার সাথেও ঘটুক এমনই মিরাকেল, তাহলে আজই একবার ট্রাই করেই দেখুন গমের রস।

১. পরিপাক বা হজমে সহায়ক

      গমের ভুসি খাবার পরিপাক বা হজমের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইন্টারন্যাশানাল জার্নাল অফ ফুড সায়েন্সস অ্যাণ্ড নিউট্রিশান কর্তৃক পরিচালিত একটি গবেষণা থেকে একথা প্রমাণিত হয়েছে। গবেষণা সূত্রে জানা গিয়েছে যে গমে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার যা হজমে সহায়তা করে একইসাথে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও লাঘব হয়ে যায়। এটি খাদ্যে উপস্থিত কিছু বিষাক্ত পদার্থ যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর সেগুলিকে পৃথক করতে পারে। অন্যদিকে বেশ কয়েকটি পেট সংক্রান্ত শারীরিক সমস্যা যেমন ব্যথা বা যন্ত্রনা, পেট ফাঁপা, গ্যাসের সমস্যা ইত্যাদির উপশম ঘটায়। 

২. ক্যান্সার নিয়ন্ত্রক

     গমের ভুসি ক্যান্সার নিয়ন্ত্রকও বটে। অকল্যাণ্ড ক্যান্সার সোসাইটি রিসার্চ সেন্টার এবং অকল্যাণ্ড মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত একটি গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে যে গমের ভুসিতে উপস্থিত ডায়টারি ফাইবার ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়াও জানা গেছে যে গমের ভুসি পাকস্থলী এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া গমের আটায় তৈরী রুটিতে ভুসির পরিমান খুবই অল্প থাকে। তাই মনে করা হয় শুধু গমের ভুসি বলেই নয় গমের মধ্যস্থ অন্যান্য উপাদানও ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। তবে ক্যান্সার প্রতিরোধে গমের ভুসির ভূমিকার বিষয়ে আরোও বেশি গবেষণার প্রয়োজন আছে। একইসাথে এটাও মনে রাখা দরকার যে একমাত্র গমের ভুসিই ক্যান্সার প্রতিরোধক বা ক্যান্সারের নিরামায়ক এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা উচিৎ। 

৩. হার্টের স্বাস্থ্যোন্নতি করে

     হার্টের স্বাস্থ্যোন্নতির জন্য কিছু হলেও গমের ভুসির একটা কার্যকরী ভূমিকা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতানুসারে গমের ভুসির মধ্যস্থিত ডায়ট্রি ফাইবার মূলত এই জন্য দায়ী। এছাড়াও এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রভাবযুক্ত ফাইটোকেমিক্যালস হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই ফাইটোকেমিক্যাল ভালো কোলেস্টেরল এবং প্লেটলেটের ( অনুচক্রিকা, চোট আঘাতের স্থান থেকে নিরবিচ্ছিন্ন রক্তপাত প্রতিরোধ করে।) পরিমাণ নিয়ন্ত্রন করে থাকে। শুধু তাই নয় এটা হার্টের জন্য ক্ষতিকর ট্রাইগ্লিসারাইড (এক ধরণের চর্বি) কমাতে সাহায্য করে। এইসব বৈশিষ্ট্যের জন্য বলা হয় গমের ভুসি হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপাদেয়।

৪. পেট সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা প্রতিরোধক

     ইতিমধ্যে পরিপাক ক্রিয়ায় গমের ভুসির উপকারীতার ব্যাপারে আমরা জানতে পেরেছি। একথাও জেনেছি যে গমের ভুসি ফাইবারের একটি প্রধান উৎস। এই ফাইবারের উপস্থিতির কারণেই কোষ্ঠ্য কাঠিন্য, পেটে ব্যাথা, খিঁচুনী, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সমস্যার লাঘব হয়। তাই একথা বললে কিছু ভুল হবেনা যে পেট সংক্রান্ত অনেক সমস্যারই অনায়াসে উপশম করে গমের ভুসি।




পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হন, তাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন, 
 এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

স্বাস্থ্য সুন্দর ও ভালো রাখার উপায় - স্বাস্থ্য সচেতনতা টিপস

স্বাস্থ্য টিপস 

https://www.englishb.online/

     যোগ ব্যায়াম শরীরের নমনীয়তা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং জটিল কাজ সম্পাদন করতেও সাহায্য করে।

পেশী শক্তি বৃদ্ধি

     নিয়মিত যোগ ব্যায়াম অনুশীলনের মাধ্যমে আমরা শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারি। আমাদের পেশী শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে দূর্বল অঙ্গকে সবল করে তোল যায়। তার জন্য যোগ ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই।

সম্পর্কের উন্নতি

      যোগ ব্যায়াম শারীরিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক দিক থেকে বলিষ্ঠ করে তোলে। যা আপনার মানসিক দৃঢ়তা দান করে। কোনো ব্যক্তি মন যদি তার নিজ বশে থাকে সে সর্বদা যেকোনো রকমের বাধা বিঘ্ন এড়াতে সক্ষম এবং কোন খারাপ দৃষ্টিভঙ্গি তাকে গ্রাস করতে পারে না। মন থাকে সতেজ, প্রাঞ্জল। যা আপনার সম্পর্কের উন্নতিতে সহায়তা করে। তাই যোগ ব্যায়াম গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

হাড়ের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে

     ব্যায়াম অনুশীলনের মাধ্যমে শরীরের হাড়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যোগ ব্যায়াম মেরুদণ্ডের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায়। এমনকি হাড়ের ক্ষয় রোধ করে৷

হজমের সমস্যা প্রতিরোধ করে

      সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং যোগ ব্যায়াম আমাদের হজম শক্তির বৃদ্ধি ঘটায়। যদি আপনি সঠিক জীবনযাপন এবং ব্যায়াম অনুশীলন করেন তাহলে রোগ আপনাকে স্পর্শ করতে পারবেনা। আপনি সু-খাদ্যাভ্যাস সহযোগে প্রত্যহ ব্যায়াম করুন, আপনার হজম জনিত কোন সমস্যাই থাকবেনা।

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি

      সঠিক ভাবে যোগ ব্যায়াম অনুশীলনে আপনাকে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় 

     মানসিক চাপ খুবই ক্ষতিকর বিষয়। মানসিক চাপে কোন ব্যক্তির সর্বত শেষ হয়ে যেতে পারে। কোন কাজ সঠিক ভাবে করতে হলে মনঃসংযোগ দরকার। তবে এই সমস্যার হালও রয়েছে আলসার, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো মানসিক চাপ কমাতে যোগ ব্যায়ামের বিকল্প নেই। সঠিক ভাবে যোগ ব্যায়াম অনুশীলন করুন, সুঅভ্যাস গড়ে তুলুন মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমে যাবে।

রক্তের সুগার কমাতে

     যোগ ব্যায়াম ব্লাড সুগার কমাতে খুবই কার্যকরী । যে সমস্ত ব্যক্তির ডায়াবেটিস আছে তারা যোগ ব্যায়াম অনুশীলনের মাধ্যমে রক্তের শর্করার পরিমাণ হ্রাস করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম শুধুমাত্র খারাপ কোলেস্টেরল হার কমায় না ভালো কোলেস্টেরলের হার বৃদ্ধি করে।

রক্ত প্রবাহের উন্নতিতে

      অঙ্গ সঞ্চালনের মাধ্যমে আমাদের শরীরের সর্বত্র অক্সিজেন পৌছায়। সঠিক পদ্ধতিতে যোগ ব্যায়াম অনুশীলন করলে শরীরে রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক হ্রাস করতে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে

     রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন সঠিক জীবনযাপন, সু-খাদ্যাভ্যাস এবং প্রত্যহ যোগ ব্যায়াম। যাদের শরীরে   রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে তারা খুব অল্প অসুস্থতাতে দূর্বল হয়ে পড়ে। যোগ ব্যায়াম শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ভাইরাস জনিত আক্রমণ ধবংস করতে সহায়তা করে। এই কারনে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যোগ ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ভালো ঘুমোতে

      বিভিন্ন কারনে মানসিক চাপ বৃদ্ধির ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। কিন্তু আপনি যদি নিয়মিত যোগ ব্যায়াম অনুশীলন করে থাকেন আপনার মানসিক চাপ কমার পাশাপাশি নিদ্রাহীনতার সমস্যা দূর হবে।

মেধ কমাতে

      শরীরে বাড়তি মেধের হার কমাতে ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। এমনকি শরীরের ওজনকে স্বাভাবিক রাখতে যোগ ব্যায়াম খুবই কার্যকরী।

ড্রাগ মুক্ত রাখতে

     কম ওষুধ খেলে অর্থ ব্যয় কমবে। আপনি যদি নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করে থাকেন শরীরে রোগের আক্রমণ অনেকাংশেই কমে যাবে।  প্রত্যহ ব্যায়াম অনুশীলনের মাধ্যমে  শরীর গড়ে তুলুন সুস্থ, সুন্দর এবং স্বাভাবিক।

      তবে যোগ ব্যায়াম শুরু করার পূর্বে সূর্য নমস্কার দিয়ে শুরু করতে হবে। তবে সূর্য নমস্কারের কিছু নিয়ম রয়েছে। ধাপে ধাপে পদ্ধতি গুলি পর্যালোচিত হবে । 


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

ঠান্ডা না গরম, কোন জলে স্নান করা শরীরের পক্ষে ভাল, শীত পড়লেই স্নান করাটা যেন একটা দুর্বিষহ কাজ। শীতের দিনে স্নান করা অনেকেরই না-পছন্দ। কিন্তু শরীর সুস্থ রাখতে স্নানের কোনও বিকল্প নেই।

 ঠান্ডা না গরম, কোন জলে স্নান করা শরীরের পক্ষে ভাল,

ঠান্ডা না গরম, কোন জলে স্নান করা শরীরের পক্ষে ভাল,


      শীত পড়লেই স্নান করাটা যেন একটা দুর্বিষহ কাজ। শীতের দিনে স্নান করা অনেকেরই না-পছন্দ। কিন্তু শরীর সুস্থ রাখতে স্নানের কোনও বিকল্প নেই। তাই শীতের দিনে অনেকেই গরম জলে স্নান করা বেশি পছন্দ করেন। পাশাপাশি অনেকে আবার বয়সজনিত কারণে, বা অভ্যাসবশতই গরম জলে স্নান করে থাকেন।


      আয়ুর্বেদিক চিকিত্‍সাশাস্ত্রে স্নানের জন্য ঠাণ্ডা-গরম দুই জলেরই গুরুত্ব রয়েছে। বলা হয়, হালকা গরম জল শরীরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সাহায্য করে। তবে মাথা ধুতে অবশ্যই ঠাণ্ডা জল ব্যবহার করা উচিত। তবে গরম জলে স্নান করুন কিংবা ঠান্ডা জলে, দইয়ের মধ্যেই কিন্তু আলাদা আলাদা উপকারিতা রয়েছে-

ঠাণ্ডা জলে স্নানের উপকারিতা-

১) শরীরে দিনভর কাজ করার উদ্দীপনা জাগায় ঠান্ডা জল, তাই সকালে ঠাণ্ডা জল দিয়ে স্নান করলে শরীরের অলসতা দূর হয়।

২) সকালে ঠান্ডা জলে স্নান করলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।

৩) ঠান্ডা জলে স্নান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, ফলে ঋতু পরিবর্তনের সময়ে শরীর কম খারাপ হয়।

গরম জলে স্নানের উপকারিতা-


১) স্নানের জল যদি ঈষদুষ্ণ করে নেন তাহলে তা যেকোনও ধরনের জীবাণু ধ্বংস করে ফেলে। গরম জল দিয়ে স্নান করলে শরীর পরিষ্কার হয়।

২) গরম জল শরীরের মাংসপেশীগুলিকে আরাম প্রদান করে। সেই সঙ্গে পেশীর ব্যথা নিরাময়ে সাহায্য করে।

৩) গরম জলে স্নান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী, তা শরীরের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

তবে গরম জলে স্নান করলে জল অতিরিক্ত গরম না করাই ভাল, অতিরিক্ত গরম জল কিন্তু শরীরের ক্ষতি করতে পারে।


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

খেজুরের রসের উপকারিতা | খেজুর রস খাওয়ার উপকারিতা,নলেন গুড় শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, এর মধ্যে থাকছে একাধিক স্বাস্থ্যকর উপকারিতা, এই শীতে তবে জমিয়ে নলেন গুড় খান। পায়েস, পিঠে, পুলি তো রান্না হবেই।

খেজুরের রসের উপকারিতা | খেজুর রস খাওয়ার উপকারিতা

     পুষ্টিগত দিক থেকে খেজুর রসের উপকারিতা অনেক। গ্রাম বাংলা বা অধুনা শহরের শীতকালীন কৈশোরের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে খেঁজুরের রসের মাদকতা। শীতের কুয়াশামাখা সকালে গাছ থেকে নামানো সদ্য তাজা এক গ্লাস খেজুরের রসের আস্বাদন যিনি করেছেন, তিনিই জানেন এর তুলনা অন্য কোনো পানীয়ের সঙ্গেই করা বৃথা।

     তবে শহুরে আধুনিকতার আঁচ গ্রামে আসতে শুরু হতে, গ্রামেও কমছে খেজুর গাছের সংখ্যা। সেই সঙ্গে কমছে ‘গাছি’ বা খেজুরের রস সংগ্রহ করার মানুষের সংখ্যা। আগের দিন বিকালে খেজুর রসের চাষি বা ‘গাছি’ গাছে উঠে কলসি বেঁধে আসে রস সংগ্রহের জন্য। সারা রাত সেই কলসিতে রস জমা হয় এবং ভোরবেলা বা খুব সকালে তা নামানো হয়। সাধারণত অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত খেজুর রস সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। এই রস কাঁচা বা গরম করে খাওয়া হয়। এই খেজুরের রসকে ফুটিয়েই খেজুরের গুড় বা পাটালি তৈরি করা হয়, যা খাদ্যরসিক বাঙালির পিঠে-পুলি-পায়েসের অন্যতম একটি উপাদান।


     শুধু স্বাদেই নয়, খেজুরের রসের জনপ্রিয়তা এর পুষ্টিমূল্য বা উপকারিতার জন্যও। খেজুর রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ।


খেজুরের রসের উপকারিতা

১) খেজুরের রসে দ্রবীভূত শর্করা বা গ্লুকোজের পরিমান কমবেশি ১৫% থেকে ২০% এবং এতে আছে প্রচুর প্রোটিন, সহজপাচ্য ফ্যাট এবং খনিজ বা মিনারেল। এত পুষ্টিগুণসম্পন্ন এবং জলীয় অংশ বেশি হওয়ার কারণে খেজুরের রসকে প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংকও বলা হয়ে থাকে।


২) পরীক্ষা করে দেখা গেছে খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড়ে প্রচুর পরিমান লৌহ বা আয়রন থাকে। ফলে খেজুরের রস খেলে বা প্রতিদিন অল্প পরিমাণে খেজুরের গুড় খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক থাকে, অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ হয়।


৩) খেজুরের রসে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম ও সোডিয়াম থাকায়, খেজুরের রস বা গুড় পেশীকে শক্তিশালী করতে বিশেষ কার্যকরী। তাছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম, যার ঘাটতির কারণে আমাদের অবসন্ন বা ক্লান্তি ভাব আসে। তাই খেজুরের রস বা গুড় সেবনে শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়ে কর্মস্পৃহা ফিরে আসে।


৪) প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ হওয়ায় খেজুরের রস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শীতের দিনে শরীর গরম রাখে। ফলে সর্দিকাশির হাত থেকে বাঁচায়।


৫) অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে বা ওজন কমাতে চিনির পরিবর্তে খেজুরের গুড় খাওয়া যেতে পারে – এক্ষেত্রে এর পরিবর্ত হিসাবে অন্য কিছু ভাবা যায় না। পর্যাপ্ত পটাশিয়াম থাকায় শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।


আরও পড়ুন – মোটা হওয়া বা ওজন বৃদ্ধির কারণ

৬) বিশেষজ্ঞদের মতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও খেজুরের রসের কার্যকরী ভূমিকা আছে। খেজুরের রস থেকে উৎপাদিত গুড় অনিদ্রা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।


৭) খেজুরের রস আমাদের হজমে সাহায্যকারী উৎসেচকগুলির কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে খাবার তাড়াতাড়ি হজম হয়। আপনি যদি প্রতিদিন খাওয়ার পর সামান্য পরিমাণ খেজুরের গুড় খান তাহলে হজম তাড়াতাড়ি হবে।


খেজুর রস খাওয়ার আগে কিছু সাবধানতা :

    যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা খেজুরের রস বা গুড় না খাওয়াই ভালো। তবে এ ব্যাপারে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।


     খেজুরের রস ভোর বা সকালে খাওয়াই ভালো। দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি ক্রমশ গেঁজে ওঠে এবং অম্লত্ব বৃদ্ধি পায়, তা পান করলে বমি হতে পারে এবং শরীরের জন্যও ক্ষতিকর।


     খেজুরের রসের কলসি বাঁধার সময় কলসির মুখ জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া উচিত। অনেক সময় বাদুড় কলসির ভিতর মুখ ঢুকিয়ে রস খায়। এ থেকে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই খেজুরের রস ফুটিয়ে খাওয়া বেশি নিরাপদ।


    কোনো জিনিসই অতিরিক্ত ভালো নয়, তা সে যতই ভালো হোক না কেন! খেজুরের রস এক বা দু’গ্লাস পান করাই যথেষ্ট। এর বেশি পান না করাই ভালো।




জেনে নিন খেজুরের রসের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা 


     শীত এলেই মনে হয় খেজুরের রস খাওয়ার কথা। শহরের দিকে এ রস পাওয়া সত্যি বিরল। গ্রামাঞ্চলেও আজকাল সহজে দেখা মেলে না এ রসের। 


     খেজুরের রস কিন্তু বেশ উপকারী পানিও আমাদের জন্য। খেজুরের রসে প্রচুর এনার্জি বা শক্তি রয়েছে। এতে জলীয় অংশও বেশি। এই রসকে প্রাকৃতিক ‘এনার্জি ড্রিংক’ বলা যেতে পারে। এতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকে। 


     খেজুরের রস কাঁচা খাওয়া যায়, আবার জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করেও খাওয়া যায়। গুড়ে আয়রন বা লৌহ বেশি থাকে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। 


     যারা শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন, কাজকর্মে জোর পান না, খেজুরের রস তাঁদের জন্য দারুণ উপকারী। খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৫-২০% দ্রবীভূত শর্করা থাকে।


    খেজুরের গুড় আখের গুড় থেকেও বেশি মিষ্টি, পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। খেজুরের গুড়ে প্রোটিন, ফ্যাট ও মিনারেল সবই রয়েছে। যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা খেজুরের রস এড়িয়ে যাবেন।


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 



Labels

Present Tense (25) Normal English Lessons (15) মধু খাওয়ার উপকারিতা (14) Tense (12) Regular English Lessons (11) জীবন বদলে দেওয়ার মতো 30 টি বাণী (11) রসুনের উপকারিতা (10) Interrogative Sentence (8) Negative Sentence (8) Swami Vivekananda Bani in Bengali – বিবেকানন্দের অমূল্য বাণী (8) Affirmative Sentence (হাঁ -বাচক ) (7) Interrogative Negative (7) পেয়ারার উপকারিতা (7) কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট কোড এবং টেকনিক – (keyboard shortcuts) (6) রবীন্দ্রনাথের বাণী সমগ্র (6) 7 Idioms Starting with "Cold" (4) Parts of Speech-English Grammar (ইংরেজি ব্যাকরণ) (4) Sayings Starting with "Cross" and "Cry" (4) 6 Idioms Starting with "Close" (3) এ.পি.জে আব্দুল কালাম (3) Adjective (2) Figures of speech Starting with "Come" (2) Preposition (2) grammar (2) voice-active-voice-passive-voice (2) About Us (1) Adverb (1) Believe-in-yourself-sand-stone. (1) Computer Shortcut Keys (1) Motivational speech (1) Noun (1) Parts of Speech: Noun (1) Pronoun (1) Verb (1) এ.পি.জে আব্দুল কালামের অনুপ্রেরণাদায়ক বাণী (1) ব্যবহার এবং অপকারিতা (1)

My Blog List

  • Positive Thoughts - * 1) ‘Dreams are not what you see in your sleep. Dreams* *That's what keeps you awake. '* *2) ‘To be as bright as the sun first* *You have to burn li...
    10 months ago

Popular Posts

Most Popular

জীবন বদলে দেবার মতো উক্তি,গুণীজনের বাণী , যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে

জীবন বদলে দেবার মতো উক্তি  জীবন ও সময় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, জীবন শেখায়, সময়কে ভালোভাবে ব্যবহার করতে। আর সময় শেখায়, জীবনের মূল্য দিতে।...