English to Bengali, বাংলা ও ইংরেজি, Online English to Bengali Tense, English Gramma

শিক্ষায় জীবন

Showing posts with label এ.পি.জে আব্দুল কালাম. Show all posts
Showing posts with label এ.পি.জে আব্দুল কালাম. Show all posts

স্বামী বিবেকানন্দের বাণীই হোক পাথেয়, স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত বাণী

  স্বামী বিবেকানন্দের বাণীই হোক পাথেয়

       ১৮৬৩ সালের ১২ জানুয়ারি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন স্বামী বিবেকানন্দ। বর্তমানে দেশজুড়ে 'জাতীয় যুব দিবস' হিসেবে তাঁর জন্মদিন পালিত হয়। শুধু ভারতবর্ষ নয়। তাঁর বাণী, অনুপ্রেরণায় ভর করেই এগিয়ে চলেছে জাতি। সেই বাণীই হোক আজ আমাদের জীবনের পাথেয়।


  • বিবেকানন্দের মতানুসারে, রামকৃষ্ণ দেবের কাছ থেকে পাওয়া তার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হচ্ছে শিব জ্ঞানে জীব সেবা। তাই তিনি বলেছেন- মানুষের সেবা করা হচ্ছে ঈশ্বরের সেবা করা।

  • যুবসমাজের জন্য তাঁর সেই যুগাতীত বাণী- 'জেগে ওঠো, সচেতন হও এবং লক্ষ্যে না-পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না।" আজও একইভাবে জাগ্রত করে তোলে।

  • বিবেকানন্দের কথায়, “নিজের উপর বিশ্বাস না এলে … ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস আসে না।”


  • “সত্যের জন্য সব কিছুকে ত্যাগ করা চলে, কিন্তু কোনো কিছুর জন্য সত্যকে ত্যাগ করা চলে না।”


  • “যদি সত্যিই মন থেকে কিছু করতে চাও তাহলে পথ পাবে; আর যদি না চাও তাহলে অজুহাত পাবে।”



পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত ভাষণ 9 থেকে 12 শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজ শিকাগোতে বিশ্ব ধর্মের সংসদে স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত ভাষণ আগামী বছর থেকে ক্লাস 9 থেকে 12 পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি জানিয়েছেন।



পোস্ট টি ভালো লাগলে একটি  COMMENT করবেন 
THANK YOU 





স্বাস্থ্য সুন্দর ও ভালো রাখার উপায় - স্বাস্থ্য সচেতনতা টিপস

স্বাস্থ্য টিপস 

https://www.englishb.online/

     যোগ ব্যায়াম শরীরের নমনীয়তা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং জটিল কাজ সম্পাদন করতেও সাহায্য করে।

পেশী শক্তি বৃদ্ধি

     নিয়মিত যোগ ব্যায়াম অনুশীলনের মাধ্যমে আমরা শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারি। আমাদের পেশী শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে দূর্বল অঙ্গকে সবল করে তোল যায়। তার জন্য যোগ ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই।

সম্পর্কের উন্নতি

      যোগ ব্যায়াম শারীরিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক দিক থেকে বলিষ্ঠ করে তোলে। যা আপনার মানসিক দৃঢ়তা দান করে। কোনো ব্যক্তি মন যদি তার নিজ বশে থাকে সে সর্বদা যেকোনো রকমের বাধা বিঘ্ন এড়াতে সক্ষম এবং কোন খারাপ দৃষ্টিভঙ্গি তাকে গ্রাস করতে পারে না। মন থাকে সতেজ, প্রাঞ্জল। যা আপনার সম্পর্কের উন্নতিতে সহায়তা করে। তাই যোগ ব্যায়াম গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

হাড়ের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে

     ব্যায়াম অনুশীলনের মাধ্যমে শরীরের হাড়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যোগ ব্যায়াম মেরুদণ্ডের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায়। এমনকি হাড়ের ক্ষয় রোধ করে৷

হজমের সমস্যা প্রতিরোধ করে

      সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং যোগ ব্যায়াম আমাদের হজম শক্তির বৃদ্ধি ঘটায়। যদি আপনি সঠিক জীবনযাপন এবং ব্যায়াম অনুশীলন করেন তাহলে রোগ আপনাকে স্পর্শ করতে পারবেনা। আপনি সু-খাদ্যাভ্যাস সহযোগে প্রত্যহ ব্যায়াম করুন, আপনার হজম জনিত কোন সমস্যাই থাকবেনা।

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি

      সঠিক ভাবে যোগ ব্যায়াম অনুশীলনে আপনাকে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় 

     মানসিক চাপ খুবই ক্ষতিকর বিষয়। মানসিক চাপে কোন ব্যক্তির সর্বত শেষ হয়ে যেতে পারে। কোন কাজ সঠিক ভাবে করতে হলে মনঃসংযোগ দরকার। তবে এই সমস্যার হালও রয়েছে আলসার, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো মানসিক চাপ কমাতে যোগ ব্যায়ামের বিকল্প নেই। সঠিক ভাবে যোগ ব্যায়াম অনুশীলন করুন, সুঅভ্যাস গড়ে তুলুন মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমে যাবে।

রক্তের সুগার কমাতে

     যোগ ব্যায়াম ব্লাড সুগার কমাতে খুবই কার্যকরী । যে সমস্ত ব্যক্তির ডায়াবেটিস আছে তারা যোগ ব্যায়াম অনুশীলনের মাধ্যমে রক্তের শর্করার পরিমাণ হ্রাস করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম শুধুমাত্র খারাপ কোলেস্টেরল হার কমায় না ভালো কোলেস্টেরলের হার বৃদ্ধি করে।

রক্ত প্রবাহের উন্নতিতে

      অঙ্গ সঞ্চালনের মাধ্যমে আমাদের শরীরের সর্বত্র অক্সিজেন পৌছায়। সঠিক পদ্ধতিতে যোগ ব্যায়াম অনুশীলন করলে শরীরে রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক হ্রাস করতে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে

     রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন সঠিক জীবনযাপন, সু-খাদ্যাভ্যাস এবং প্রত্যহ যোগ ব্যায়াম। যাদের শরীরে   রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে তারা খুব অল্প অসুস্থতাতে দূর্বল হয়ে পড়ে। যোগ ব্যায়াম শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ভাইরাস জনিত আক্রমণ ধবংস করতে সহায়তা করে। এই কারনে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যোগ ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ভালো ঘুমোতে

      বিভিন্ন কারনে মানসিক চাপ বৃদ্ধির ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। কিন্তু আপনি যদি নিয়মিত যোগ ব্যায়াম অনুশীলন করে থাকেন আপনার মানসিক চাপ কমার পাশাপাশি নিদ্রাহীনতার সমস্যা দূর হবে।

মেধ কমাতে

      শরীরে বাড়তি মেধের হার কমাতে ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। এমনকি শরীরের ওজনকে স্বাভাবিক রাখতে যোগ ব্যায়াম খুবই কার্যকরী।

ড্রাগ মুক্ত রাখতে

     কম ওষুধ খেলে অর্থ ব্যয় কমবে। আপনি যদি নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করে থাকেন শরীরে রোগের আক্রমণ অনেকাংশেই কমে যাবে।  প্রত্যহ ব্যায়াম অনুশীলনের মাধ্যমে  শরীর গড়ে তুলুন সুস্থ, সুন্দর এবং স্বাভাবিক।

      তবে যোগ ব্যায়াম শুরু করার পূর্বে সূর্য নমস্কার দিয়ে শুরু করতে হবে। তবে সূর্য নমস্কারের কিছু নিয়ম রয়েছে। ধাপে ধাপে পদ্ধতি গুলি পর্যালোচিত হবে । 


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

ডিম পুষ্টি উপাদানে ভরপুর একটি প্রাকৃতিক খাদ্য। একে প্রোটিন এবং পুষ্টি উপাদানের পাওয়ার হাউসও বলা হয়ে থাকে। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সব বয়সের জন্য ডিম একটি অত্যন্ত উপাদেয় খাদ্য। বলা হয়ে থাকে, ‘যদি সুস্থ থাকতে চান, প্রতিদিন একটি করে ডিম খান’।

 ডিম পুষ্টি উপাদানে ভরপুর একটি প্রাকৃতিক খাদ্য। একে প্রোটিন এবং পুষ্টি উপাদানের পাওয়ার হাউসও বলা হয়ে থাকে। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সব বয়সের জন্য ডিম একটি অত্যন্ত উপাদেয় খাদ্য। বলা হয়ে থাকে, ‘যদি সুস্থ থাকতে চান, প্রতিদিন একটি করে ডিম খান’।





একটি বড় ডিমের ওজন প্রায় ৫০ গ্রাম হয়ে থাকে । একটি সেদ্ধ ডিম থেকে যেসব পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় এবং শরীরে তাদের কাজ নিয়ে আলোচনা করা হলো:

ক্যালরি: একটি ডিম থেকে সাধারণত ৭৭ ক্যালরি পাওয়া যায়। ডিম দীর্ঘ সময় শক্তি জোগায় এবং ক্ষুধা কমায়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য ডায়েটে ডিম রাখা জরুরি। সকালের নাশতায় একটি ডিম সারা দিনের পুষ্টি চাহিদা অনেকটুকুই পূরণ করতে সহায়তা করে।


প্রোটিন: একটি ডিম থেকে প্রায় ৬.৩ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন পাওয়া যায়। ডিমের প্রোটিন শরীরে খুব সহজে শোষিত হয়। শরীরের গঠন ও ক্ষয়পূরণের জন্য প্রোটিন অত্যাবশ্যকীয়। এ ছাড়া প্রোটিন বিভিন্ন অঙ্গ, ত্বক, চুল এবং শরীরের বিভিন্ন টিস্যু পুনর্গঠনে সহায়তা করে।


আয়রন: ডিম থেকে যে আয়রন পাওয়া যায়, তা শরীরে খুব সহজে শোষিত হয়। এই আয়রন শরীরের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং আয়রনের অভাবজনিত রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।




ভিটামিন এ: ডিম থেকে ভিটামিন এ পাওয়া যায়। এই ভিটামিন এ ত্বক এবং চোখের কোষের সুস্থতা দান করে। সেই সঙ্গে রাতকানা প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

ভিটামিন ডি: ভিটামিন ডির একটি ভালো খাদ্য উৎস হচ্ছে ডিম। ভিটামিন ডি হাড় এবং দাঁত সুস্থ ও মজবুত করে। কিছু কিছু ক্যানসার কোষ প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।




ভিটামিন ই: ভিটামিন ই দেহে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক ও চুলের জন্য ভিটামিন ই গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরকে সুস্থ রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।


ভিটামিন বি-১২: এটি হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে এবং হার্ট সুস্থ রাখে।


ফলেট: ডিমে ফলেট থাকে, যা নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে। ফলেট এর অভাবজনিত রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়তা করে। গর্ভবতী মায়েদের জন্য ফলেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শিশুর জন্মগত ত্রুটি দূর করতে সহায়তা করে।

সেলেনিয়াম: ডিম থেকে সেলেনিয়াম পাওয়া যায়। এটি ভিটামিন ই-এর সঙ্গে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা শরীরের বিভিন্ন টিস্যুর ক্ষয় রোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে ।



কোলিন: ডিমের কুসুমে কোলিন থাকে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। কোলিন মস্তিষ্কের বিকাশ এবং কার্যক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখে।


কোলেস্টেরল: একটি বড় সেদ্ধ ডিম থেকে প্রায় ১৮৬.৫ গ্রাম কোলেস্টেরল পাওয়া যায়। বর্তমান গবেষণায় জানা গেছে, ডিম থেকে যে কোলেস্টেরল পাওয়া যায় তা আমাদের শরীরে বিশেষ কোনো ক্ষতি করে না ।


ডিম ও ডিমের কুসুম নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা



ডিমের কুসুম নিয়ে একটি ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত আছে। যেহেতু ডিমের কুসুমে অধিক মাত্রায় কোলেস্টেরল থাকে, তাই ধারণা করা হতো, যাঁদের করোনারি হার্ট ডিজিজ রয়েছে এবং রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তাঁদের জন্য ডিমের কুসুম ক্ষতিকর। পরামর্শ দেওয়া হতো কুসুমছাড়া ডিম খাওয়ার জন্য। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এটি প্রমাণিত হয়েছে, ডিমের কুসুম থেকে যে কোলেস্টরেল পাওয়া যায়, তা রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় না এবং এটি করোনারি হার্ট ডিজিজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। প্রতিদিন কুসুমসহ একটি ডিম সবার জন্য নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর। ডিমের কুসুমে পুরো ডিমের প্রায় অর্ধেক পুষ্টি উপাদান থাকে। এ ছাড়া কুসুমে আমাদের জন্য উপকারী উপাদান ফলেট, কোলিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, লেটিইন এবং জি-অ্যাকজানথাইন থাকে। তাই কুসুম বাদ দিয়ে নয়, কুসুমসহ প্রতিদিন একটি ডিম সবার জন্যই স্বাস্থ্যসম্মত।


বিভিন্ন বয়সে ডিমের গুরুত্ব এবং গ্রহণের পরিমাণ




শিশু : সাধারণত এক বছর বয়সের পর থেকে শিশুকে ডিম খাওয়ানো শুরু করতে হয়। ডিমের ফার্স্ট ক্লাস প্রোটিন শিশুর দেহের ক্ষয়পূরণ ও সঠিক বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। ডিমের কুসুমে কোলিন থাকে, যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া ডিমে ভিটামিন ডি, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, আয়রনসহ আরও অনেক পুষ্টি উপাদান থাকে, যা শিশুর বিকাশে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। শিশুদের ক্ষেত্রে এক বছর বয়সের পর থেকে দিনে একটি ডিম এবং তিন বছর বয়সের পর থেকে দুটি ডিম খাওয়া যেতে পারে।


কিশোর: এই বয়সে শরীরের সব পুষ্টি উপাদানের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় বিভিন্ন অঙ্গের পরিপক্বতা ও পরিবর্তন হয়, বিভিন্ন হরমোন ও এনজাইমের কার্যকারিতা বেড়ে যায় এ ছাড়া লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়ার জন্য সঠিক পুষ্টিকর খাদ্যযত্ন খুবই জরুরি। এ ক্ষেত্রে খাদ্যতালিকায় ডিম রাখা হলে তা দৈনিক পুষ্টি চাহিদা পূরণে সাহায্য করে। কৈশোর ও টিন এজ বয়সে দিনে দুটো ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যকর।


প্রাপ্তবয়স্ক: যাঁরা প্রাপ্তবয়স্ক, তাঁরা কাজের চাপে অনেক সময় নিজের খাবারের প্রতি মনোযোগী থাকেন না । একটি পরিকল্পিত ডায়েট ফলো করেন না। সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি ঘাটতি দেখা যায়। এই পুষ্টি ঘাটতি পূরণের জন্য এবং স্বল্প সময়ে এনার্জি পাওয়ার জন্য ডিম খুবই উপকারী। একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ডিমের কুসুমসহ দুটো ডিম এবং আরও একটি ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন। এ ছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের অনেক সময় বিভিন্ন হরমোনাল ইমব্যালেন্স দেখা যায়; ডিমের প্রোটিন এই হরমোন এবং বিভিন্ন এনজাইমের কার্যকারিতা সঠিক রাখতে সহায়তা করে।


পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি: এই সময়ে মানুষের শরীরে বিভিন্ন ধরনের বিশেষ পরিবর্তন আসে এবং পুষ্টি চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। কারণ, শরীরের ভেতর যে ক্ষয় হয়, সেটা আর তখন পূরণ হয় না। তাই খাবারের মাধ্যমে এই ক্ষয় প্রতিরোধ করতে হয়। আর এ ক্ষেত্রে একটি চমৎকার উপাদেয় খাবার হচ্ছে ডিম। বয়স্ক মানুষের খাদ্যতালিকায় কুসুমসহ একটি ডিম এবং কুসুমছাড়া আরও দুটি ডিম রাখা যায়। ডিমের কুসুমের কোলিন মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখে। ডিমে ভিটামিন এ থাকে, যা বয়সের কারণে চোখের কোষের যে ক্ষতি হয়, তা কমাতে সহায়তা করে। ডিমের কুসুমে ভিটামিন ডি এবং ফসফরাস থাকে, যা হাড় ও দাঁতের জন্য উপকারী ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন ডি অনেক ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতেও সহায়তা করে। এ ছাড়া ভিটামিন বি-১২ হার্টের সুস্থতা বজায় রাখে। আর ডিমের কুসুমে থাকা টাইরোসিন ও ট্রিপটোফেন অ্যামাইনো অ্যাসিড হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।





গর্ভবতী মা: একজন গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি চাহিদা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি থাকে, এটা আমরা সবাই জানি। ভ্রূণের সঠিক গঠন ও বিকাশের জন্য অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ অত্যন্ত প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ডিম একটি চমৎকার খাবার। গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধের জন্য এবং ভ্রূণের হাড়, মস্তিষ্ক এবং বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গঠনের জন্য যে পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন, তার প্রায় সব উপাদান ডিমে বিদ্যমান। তাই গর্ভবতী মা দিনে দুটি ডিম খেলে তাঁর পুষ্টি উপাদানের চাহিদার অনেকটাই পূরণ করা সম্ভব। এ ছাড়া ডিমে যে পুষ্টি উপাদান রয়েছে, তার মধ্যে ফোলেট ভ্রূণের সুস্থতা দান করে এবং জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হন, তাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন, 
 এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  


আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 


Labels

Present Tense (25) Normal English Lessons (15) মধু খাওয়ার উপকারিতা (14) Tense (12) Regular English Lessons (11) জীবন বদলে দেওয়ার মতো 30 টি বাণী (11) রসুনের উপকারিতা (10) Interrogative Sentence (8) Negative Sentence (8) Swami Vivekananda Bani in Bengali – বিবেকানন্দের অমূল্য বাণী (8) Affirmative Sentence (হাঁ -বাচক ) (7) Interrogative Negative (7) পেয়ারার উপকারিতা (7) কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট কোড এবং টেকনিক – (keyboard shortcuts) (6) রবীন্দ্রনাথের বাণী সমগ্র (6) 7 Idioms Starting with "Cold" (4) Parts of Speech-English Grammar (ইংরেজি ব্যাকরণ) (4) Sayings Starting with "Cross" and "Cry" (4) 6 Idioms Starting with "Close" (3) এ.পি.জে আব্দুল কালাম (3) Adjective (2) Figures of speech Starting with "Come" (2) Preposition (2) grammar (2) voice-active-voice-passive-voice (2) About Us (1) Adverb (1) Believe-in-yourself-sand-stone. (1) Computer Shortcut Keys (1) Motivational speech (1) Noun (1) Parts of Speech: Noun (1) Pronoun (1) Verb (1) এ.পি.জে আব্দুল কালামের অনুপ্রেরণাদায়ক বাণী (1) ব্যবহার এবং অপকারিতা (1)

My Blog List

  • Positive Thoughts - * 1) ‘Dreams are not what you see in your sleep. Dreams* *That's what keeps you awake. '* *2) ‘To be as bright as the sun first* *You have to burn li...
    10 months ago

Popular Posts

Most Popular

জীবন বদলে দেবার মতো উক্তি,গুণীজনের বাণী , যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে

জীবন বদলে দেবার মতো উক্তি  জীবন ও সময় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, জীবন শেখায়, সময়কে ভালোভাবে ব্যবহার করতে। আর সময় শেখায়, জীবনের মূল্য দিতে।...