English to Bengali, বাংলা ও ইংরেজি, Online English to Bengali Tense, English Gramma

শিক্ষায় জীবন

Showing posts with label জীবন বদলে দেওয়ার মতো 30 টি বাণী. Show all posts
Showing posts with label জীবন বদলে দেওয়ার মতো 30 টি বাণী. Show all posts

ঠান্ডা না গরম, কোন জলে স্নান করা শরীরের পক্ষে ভাল, শীত পড়লেই স্নান করাটা যেন একটা দুর্বিষহ কাজ। শীতের দিনে স্নান করা অনেকেরই না-পছন্দ। কিন্তু শরীর সুস্থ রাখতে স্নানের কোনও বিকল্প নেই।

 ঠান্ডা না গরম, কোন জলে স্নান করা শরীরের পক্ষে ভাল,

ঠান্ডা না গরম, কোন জলে স্নান করা শরীরের পক্ষে ভাল,


      শীত পড়লেই স্নান করাটা যেন একটা দুর্বিষহ কাজ। শীতের দিনে স্নান করা অনেকেরই না-পছন্দ। কিন্তু শরীর সুস্থ রাখতে স্নানের কোনও বিকল্প নেই। তাই শীতের দিনে অনেকেই গরম জলে স্নান করা বেশি পছন্দ করেন। পাশাপাশি অনেকে আবার বয়সজনিত কারণে, বা অভ্যাসবশতই গরম জলে স্নান করে থাকেন।


      আয়ুর্বেদিক চিকিত্‍সাশাস্ত্রে স্নানের জন্য ঠাণ্ডা-গরম দুই জলেরই গুরুত্ব রয়েছে। বলা হয়, হালকা গরম জল শরীরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সাহায্য করে। তবে মাথা ধুতে অবশ্যই ঠাণ্ডা জল ব্যবহার করা উচিত। তবে গরম জলে স্নান করুন কিংবা ঠান্ডা জলে, দইয়ের মধ্যেই কিন্তু আলাদা আলাদা উপকারিতা রয়েছে-

ঠাণ্ডা জলে স্নানের উপকারিতা-

১) শরীরে দিনভর কাজ করার উদ্দীপনা জাগায় ঠান্ডা জল, তাই সকালে ঠাণ্ডা জল দিয়ে স্নান করলে শরীরের অলসতা দূর হয়।

২) সকালে ঠান্ডা জলে স্নান করলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।

৩) ঠান্ডা জলে স্নান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, ফলে ঋতু পরিবর্তনের সময়ে শরীর কম খারাপ হয়।

গরম জলে স্নানের উপকারিতা-


১) স্নানের জল যদি ঈষদুষ্ণ করে নেন তাহলে তা যেকোনও ধরনের জীবাণু ধ্বংস করে ফেলে। গরম জল দিয়ে স্নান করলে শরীর পরিষ্কার হয়।

২) গরম জল শরীরের মাংসপেশীগুলিকে আরাম প্রদান করে। সেই সঙ্গে পেশীর ব্যথা নিরাময়ে সাহায্য করে।

৩) গরম জলে স্নান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী, তা শরীরের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

তবে গরম জলে স্নান করলে জল অতিরিক্ত গরম না করাই ভাল, অতিরিক্ত গরম জল কিন্তু শরীরের ক্ষতি করতে পারে।


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

খেজুরের রসের উপকারিতা | খেজুর রস খাওয়ার উপকারিতা,নলেন গুড় শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, এর মধ্যে থাকছে একাধিক স্বাস্থ্যকর উপকারিতা, এই শীতে তবে জমিয়ে নলেন গুড় খান। পায়েস, পিঠে, পুলি তো রান্না হবেই।

খেজুরের রসের উপকারিতা | খেজুর রস খাওয়ার উপকারিতা

     পুষ্টিগত দিক থেকে খেজুর রসের উপকারিতা অনেক। গ্রাম বাংলা বা অধুনা শহরের শীতকালীন কৈশোরের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে খেঁজুরের রসের মাদকতা। শীতের কুয়াশামাখা সকালে গাছ থেকে নামানো সদ্য তাজা এক গ্লাস খেজুরের রসের আস্বাদন যিনি করেছেন, তিনিই জানেন এর তুলনা অন্য কোনো পানীয়ের সঙ্গেই করা বৃথা।

     তবে শহুরে আধুনিকতার আঁচ গ্রামে আসতে শুরু হতে, গ্রামেও কমছে খেজুর গাছের সংখ্যা। সেই সঙ্গে কমছে ‘গাছি’ বা খেজুরের রস সংগ্রহ করার মানুষের সংখ্যা। আগের দিন বিকালে খেজুর রসের চাষি বা ‘গাছি’ গাছে উঠে কলসি বেঁধে আসে রস সংগ্রহের জন্য। সারা রাত সেই কলসিতে রস জমা হয় এবং ভোরবেলা বা খুব সকালে তা নামানো হয়। সাধারণত অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত খেজুর রস সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। এই রস কাঁচা বা গরম করে খাওয়া হয়। এই খেজুরের রসকে ফুটিয়েই খেজুরের গুড় বা পাটালি তৈরি করা হয়, যা খাদ্যরসিক বাঙালির পিঠে-পুলি-পায়েসের অন্যতম একটি উপাদান।


     শুধু স্বাদেই নয়, খেজুরের রসের জনপ্রিয়তা এর পুষ্টিমূল্য বা উপকারিতার জন্যও। খেজুর রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ।


খেজুরের রসের উপকারিতা

১) খেজুরের রসে দ্রবীভূত শর্করা বা গ্লুকোজের পরিমান কমবেশি ১৫% থেকে ২০% এবং এতে আছে প্রচুর প্রোটিন, সহজপাচ্য ফ্যাট এবং খনিজ বা মিনারেল। এত পুষ্টিগুণসম্পন্ন এবং জলীয় অংশ বেশি হওয়ার কারণে খেজুরের রসকে প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংকও বলা হয়ে থাকে।


২) পরীক্ষা করে দেখা গেছে খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড়ে প্রচুর পরিমান লৌহ বা আয়রন থাকে। ফলে খেজুরের রস খেলে বা প্রতিদিন অল্প পরিমাণে খেজুরের গুড় খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক থাকে, অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ হয়।


৩) খেজুরের রসে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম ও সোডিয়াম থাকায়, খেজুরের রস বা গুড় পেশীকে শক্তিশালী করতে বিশেষ কার্যকরী। তাছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম, যার ঘাটতির কারণে আমাদের অবসন্ন বা ক্লান্তি ভাব আসে। তাই খেজুরের রস বা গুড় সেবনে শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়ে কর্মস্পৃহা ফিরে আসে।


৪) প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ হওয়ায় খেজুরের রস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শীতের দিনে শরীর গরম রাখে। ফলে সর্দিকাশির হাত থেকে বাঁচায়।


৫) অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে বা ওজন কমাতে চিনির পরিবর্তে খেজুরের গুড় খাওয়া যেতে পারে – এক্ষেত্রে এর পরিবর্ত হিসাবে অন্য কিছু ভাবা যায় না। পর্যাপ্ত পটাশিয়াম থাকায় শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।


আরও পড়ুন – মোটা হওয়া বা ওজন বৃদ্ধির কারণ

৬) বিশেষজ্ঞদের মতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও খেজুরের রসের কার্যকরী ভূমিকা আছে। খেজুরের রস থেকে উৎপাদিত গুড় অনিদ্রা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।


৭) খেজুরের রস আমাদের হজমে সাহায্যকারী উৎসেচকগুলির কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে খাবার তাড়াতাড়ি হজম হয়। আপনি যদি প্রতিদিন খাওয়ার পর সামান্য পরিমাণ খেজুরের গুড় খান তাহলে হজম তাড়াতাড়ি হবে।


খেজুর রস খাওয়ার আগে কিছু সাবধানতা :

    যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা খেজুরের রস বা গুড় না খাওয়াই ভালো। তবে এ ব্যাপারে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।


     খেজুরের রস ভোর বা সকালে খাওয়াই ভালো। দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি ক্রমশ গেঁজে ওঠে এবং অম্লত্ব বৃদ্ধি পায়, তা পান করলে বমি হতে পারে এবং শরীরের জন্যও ক্ষতিকর।


     খেজুরের রসের কলসি বাঁধার সময় কলসির মুখ জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া উচিত। অনেক সময় বাদুড় কলসির ভিতর মুখ ঢুকিয়ে রস খায়। এ থেকে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই খেজুরের রস ফুটিয়ে খাওয়া বেশি নিরাপদ।


    কোনো জিনিসই অতিরিক্ত ভালো নয়, তা সে যতই ভালো হোক না কেন! খেজুরের রস এক বা দু’গ্লাস পান করাই যথেষ্ট। এর বেশি পান না করাই ভালো।




জেনে নিন খেজুরের রসের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা 


     শীত এলেই মনে হয় খেজুরের রস খাওয়ার কথা। শহরের দিকে এ রস পাওয়া সত্যি বিরল। গ্রামাঞ্চলেও আজকাল সহজে দেখা মেলে না এ রসের। 


     খেজুরের রস কিন্তু বেশ উপকারী পানিও আমাদের জন্য। খেজুরের রসে প্রচুর এনার্জি বা শক্তি রয়েছে। এতে জলীয় অংশও বেশি। এই রসকে প্রাকৃতিক ‘এনার্জি ড্রিংক’ বলা যেতে পারে। এতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকে। 


     খেজুরের রস কাঁচা খাওয়া যায়, আবার জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করেও খাওয়া যায়। গুড়ে আয়রন বা লৌহ বেশি থাকে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। 


     যারা শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন, কাজকর্মে জোর পান না, খেজুরের রস তাঁদের জন্য দারুণ উপকারী। খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৫-২০% দ্রবীভূত শর্করা থাকে।


    খেজুরের গুড় আখের গুড় থেকেও বেশি মিষ্টি, পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। খেজুরের গুড়ে প্রোটিন, ফ্যাট ও মিনারেল সবই রয়েছে। যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা খেজুরের রস এড়িয়ে যাবেন।


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 



স্বাভাবিকভাবে ওজন কমানোর উপায় , Weight Loss Tricks In Bengali.

 স্বাভাবিকভাবে ওজন কমানোর উপায়  , Weight Loss Tricks In Bengali.

আমাদের যাদের ওজন বাড়ার ধাত আছে, তাদের পক্ষে ওজন কমানোটা (weight loss) একটা চ্যালেঞ্জিং (challenging) ব্যাপার. ইন্টারনেটে অনেক রকমের ওজন কমানোর উপায় (weight loss) আছে, এমনকি একদিনে একটা নির্দিষ্ট পরিমান ওজন কমানোর (weight loss) উপায়ও (tricks) আপনি পাবেন. কিন্তু এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই উপায়গুলো (tricks) কোনো কাজ করে না. কারণ ঝটপট করে প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে ওজন কমানোর (weight loss) চেষ্টা করলে বেশিরভাগ সময়েই তা উল্টো ফল দেয়. আপনি হয়তো ওজন কমিয়ে (weight loss) নিলেন, কিন্তু দেখা গেলো যে অন্য কোনো শারীরিক অসুবিধে আপনার জীবনে আসতে শুরু করলো. তাই তাড়াহুড়ো না করে স্বাভাবিক নিয়মে যদি আপনি আপনার ওজন কমানোর (weight loss) চেষ্টা করেন, তাহলে সেটা কার্যকরীও হবে এবং দীর্ঘস্থায়ীও হবে. শুধু কয়েকটা নিয়ম মেনে চলতে হবে একটু. আজ আমরা আপনাকে ১৩ টি Weight Loss Tips জানাবো, যাতে আপনি স্বাভাবিক ভাবে নিজের ওজন কমাতে পারেন (Weight Loss Tricks) এবং নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণেও রাখতে পারেন.


১. বেশি করে প্রোটিন খান

আমাদের অনেকেরই ধারণা আছে যে কম খেলে বা না খেয়ে থাকলে তাড়াতাড়ি ওজন কমে (weight loss). ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল. পেট খালি রাখলে ফ্যাট (fat) জমার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে. আর শরীরে যথেষ্ট পুষ্টির (nutrition) অভাবে আপনি দুর্বল হয়ে পড়েন. ফলস্বরূপ, আপনার ইমিউনিটি (immunity) কমতে থাকে এবং অসুস্থ হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি হয়ে যায়. তাই খাওয়া বন্ধ করবেন না. বরঞ্চ খাবারে প্রোটিন যোগ করুন. বেশি করে প্রোটিন খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কমে এবং প্রোটিন যেহেতু অনেক বেশি পুষ্টিকর, ফলে আপনার শরীরও ফিট থাকে. 



২. সিঙ্গেল ইনগ্রেডিয়েন্ট (single-ingredient) খাবার খান

না, শুধু একটা খাবার খেতে বলছি না. সিঙ্গেল ইনগ্রেডিয়েন্ট (single-ingredient) ফুড অর্থাৎ  যে খাবারগুলো প্রসেস (Processed)  করা নয়, সেই খাবার খান. রোজকার খাবার যেগুলো আমরা বাড়িতে তৈরী করে খাই, যেমন ডাল, ভাত, রুটি, মাছ, সবজি এসব. ফ্রেশ খাবার খান. আপনি যদি ডায়েটের দিকে বেশি নজর দিতে চান তাহলে সাদা ভাতের বদলে ব্রাউন রাইস খেতে পারেন. ব্রাউন রাইসে পুষ্টি (nutrition)  বেশি এবং যেহেতু এটি রিফাইন্ড বা পালিশ করা হয় না তাই শরীরে কোনো ক্ষতিও করে না. তা ছাড়া ফল, শাক-সবজি এগুলো বেশি করে খান. 



৩. প্রসেসড (Processed) এবং Canned খাবার একদম না

সত্যি কথা বলতে কি আমরা সবাই এখন এতটাই ব্যস্ত যে নিজেদের জন্য সময় বার করা খুব কষ্টকর. তার ওপর যদি আবার রান্না করতে হয়, সে সময় নেই কারো কাছে. তাই অনেকসময়ই আমরা প্রসেসড  (Processed) এবং Canned খাবার খেয়ে নি. সময়ও বাঁচে আর খাবার গুলো খেতেও খুব একটা খারাপ না. কিন্তু আপনি কি জানেন যে এই প্রসেসড (Processed) এবং Canned খাবার আপনার কতটা ক্ষতি করছে? আর আপনি যদি ওজন কমাতে  (weight loss) চান, তাহলে কিন্তু আপনার এই ধরণের খাবার একেবারেই খাওয়া চলবে না. 




৪. হেলদি স্ন্যাক্স খান (Healthy Snacks)

ওজন কমানোর (weight loss) জন্য খাওয়া-দাওয়া করাটা খুব জরুরি, কিন্তু তা বলে যা ইচ্ছে তাই খেলে কিন্তু আপনার সমস্ত পরিশ্রম ব্যর্থ! বিকেলের দিকে বা সন্ধ্যাবেলা যখন অল্প খিদে পায় তখন মনে হয় কিছু হালকা খাবার খাই. আর বেশিরভাগ সময়েই আমরা চিপস, চানাচুর বা ভাজা-ভুজি খেয়ে নি. আপনিও তাই করেন তো? যদি এতদিন তাই করে থাকেন, তাহলে এখন থেকে আর সেটা করবেন না. যখন একবার ঠিক করে নিয়েছেন যে ওজন (weight loss) কমাবেন, তখন ডায়েটের দিকেও নজর দিন. ভাজার পরিবর্তে হেলদি স্ন্যাক্স (healthy snacks) খান. দই, শশা দিয়ে মুড়ি, বাদাম, ডিমসেদ্ধ এগুলো খান. 



৫. মিষ্টি না খেলেই ভালো

মিষ্টি খেতে আমরা অনেকেই ভালোবাসি আর মিষ্টি কিন্তু ওজন কমানোর (weight loss) পথে একটি বড় বাধা! মিষ্টি মানে যে কোনো রকমের মিষ্টিই – চিনি থেকে আরম্ভ করে ক্যান্ডি – যে কোনো রকমের মিষ্টি জিনিস খাওয়া বন্ধ করুন. যদি একান্তই খুব কষ্ট হয়, তাহলে মাসে একদিন অল্প ডেসার্ট খেতে পারেন. কিন্তু চা-কফিতে চিনির পরিমান কমিয়ে ফেলুন. 



৬. জল খান

জল খেলে ওজন কমে (weight loss) – কিন্তু তা বলে শুধু কি আর জল খেয়ে থাকতে বলছি? বলছি জল খাবার পরিমানটা বাড়াতে, আর নির্দিষ্ট সময়ে জল খেতে. সকালে ঘুম থেকে উঠে ২ গ্লাস জল খান. এতে আপনার সিস্টেম ক্লিয়ার হয় এবং শরীরে জমে থাকা টক্সিন (toxin) ফ্লাশ আউট (flush out) হয়ে যায়. যখনি খাবার খাবেন, তার আগে এক গ্লাস জল খান, এতে আপনার পেট ভরা ভরা লাগবে এবং আপনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাবার খাবেন না. তা ছাড়া অনেক সময় আমরা তেষ্টা পেলে সফ্ট-ড্রিঙ্কস বা শরবত খেয়ে নি, তার বদলে জল খেয়ে তেষ্টা মেটান. এতে আপনার শরীরে এক্সট্রা ক্যালোরিও ঢুকলো না আবার তেষ্টাও মিটলো!



 ৭. ঘুমোন

ওজন কমানোর (weight loss) জন্য এবং সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ঘুমোনোটা খুব প্রয়োজন. যদি ঘুম সম্পূর্ণ না হয়, তাহলে সারাদিন একটা ক্লান্তিভাব থাকে আর কোনো কাজ করতে ইচ্ছে করে না. আর আপনি কি জানেন, ঘুম কম হলে খিদেও বেশি পায়? তাছাড়া ঘুম কম হলে ওবেসিটির (obesity) মত সমস্যাও আসতে পারে, তখন কিন্তু ওজন কমাতে (weight loss) পারবেন না. তাই ঠিক সময়ে শুতে যান এবং সকালে তাড়াতাড়ি উঠুন. .


৮. এক্সারসাইজ (exercise)

দেখুন, ওজন কম করতে (weight loss) হলে একটু তো খাটতেই হবে,তাই না? এক্সারসাইজ (exercise) করাটা সে জন্য খুব দরকার. নিয়মিতভাবে এক্সারসাইজ (exercise) করুন, সেটা জিমে গিয়েই হোক কিংবা বাড়িতে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ (exercise) করেই হোক. সেরকম হলে সকালবেলা বাড়ির পাশেই কয়েকপাক দৌড়ে আসুন. আর যদি আপনি ফিটনেস নিয়ে একটু বেশি সিরিয়াস হন, তাহলে জগিং, কার্ডিও, ব্রিকস বা হাইকিং করতে পারেন. সাঁতার কাটাও কিন্তু একটা ভালো এক্সারসাইজ(exercise). দিনে অন্তত এক ঘন্টা ব্যায়াম (exercise) করুন. যোগ ব্যায়াম (yoga) করতে পারেন.




৯. ঝাল খান

না, কাঁচা কাঁচা লঙ্কা চিবোতে বলছি না. আপনি যদি ঝাল খেতে পছন্দ করেন, তাহলে জেনে রাখুন, লঙ্কা কিন্তু ওজন কমাতে (weight loss) সাহায্য করে. ঝাল খাবার খেলে আমাদের মেটাবলিসম ৮% বেশি তাড়াতাড়ি কাজ করে. ডিনারে অন্যান্য খাবারের সাথে কাঁচা লঙ্কা খান. এতে ফ্যাট বার্ন হয়. তাছাড়া দেখা গেছে, যারা ঝাল খান, তারা আস্তে আস্তে চিবিয়ে চিবিয়ে খাবার খান যেটা ওজন কমানোর (weight loss) জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ. 



১০. খাবার আগে স্যুপ (soup) খান

সম্প্রতি একটা রিসার্চে জানা গেছে যে খাবার খাওয়ার ১ ঘন্টা আগে যদি একবাটি স্যুপ (soup) খেয়ে নেওয়া যায়, তাহলে খিদে কম পায়. এর ফলে আপনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খান না এবং আপনার পেটও ভর্তি থাকে. ফলে আপনার ওজন কমতে (weight loss) বাধ্য. 



১১. খাবার পর দাঁত মাজুন

অনেকেই খাবার পর দাঁত মাজেন. হ্যাঁ, যতবার খাবার খান, প্রতিবারই দাঁত মাজেন. দাঁত মাজার পরে অনেকেই খেতে পছন্দ করেন না. তাছাড়া দাঁত মাজার পর মুখে টেস্ট পাওয়া যায় না ফলে বারবার অপ্রয়োজনে খাবার ইচ্ছেটা চলে যায়. তাই আপনিও যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখতে পারেন. সব সময় যদি টুথব্রাশ সঙ্গে রাখা সম্ভব না হয়, তাহলে একটা ছোট মাউথ-ওয়াশের বোতল রাখুন. একই কাজ করবে.



 ১২. শোবার আগে এক কাপ গ্রিন-টি খান

শোবার আগে এক কাপ গ্রিন-টি অবশ্যই খান. গ্রিন-টি মেটাবলিসম বাড়াতে সাহায্য করে আর ঘুমের মধ্যেও ফ্যাট বার্ন হতে থাকে. শুধু যে ওজন কমাতে  (weight loss) গ্রিন-টি (green tea) সাহায্য করে তা না, ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে. কিন্তু মনে রাখবেন, গ্রিন-টিতে (green tea) ক্যাফেইনের পরিমান কফির থেকে বেশি থাকে. তাই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি গ্রিন-টি (green tea) খাওয়াও কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর. 



১৩. হাসুন

হাসা একরকমের এরোবিক এক্সারসাইজ (exercise). আপনি কি জানেন, যদি আপনি ১ ঘন্টা প্রাণখুলে হাসেন, তাতে ঠিক ততটাই ওজন কমে যতটা ৩০ মিনিট ধরে ওয়েট -লিফটিং করলে কমে? প্রতিদিন ১ ঘন্টা প্রানখুলে হাসলে আপনার প্রায় ৪০০ ক্যালোরি বার্ন হয়. ১ ঘন্টা সম্ভব না হলে অন্তত ১৫ মিনিট সময় বার করে প্রতিদিন লাফিং এক্সারসাইজ (exercise) করুন.



পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?

    হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?

হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?
 হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?

       ফুলকপিতে রয়েছে সালফোরাফেন। এই উপাদান ক্যান্সারের স্টেম সেল মেরে টিউমারের বৃদ্ধি আটকায়। ফুলকপির এই উপাদান প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

     ফুলকপি ফাইবার-সমৃদ্ধ। যা হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। ফুলকপির সালফোরাফেন রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে

    ফুলকপিতে রয়েছে কোলিন। এটি এক ধরনের ভিটামিন বি। যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভাল রাখে

    ফুলকপিতে থাকা সালফোরাফেন, ভিটামিন সি ও ফোলাট ওজন ঝরাতে সাহায্য করে

    এটি ভিটামিন কে সমৃদ্ধ। যা হাড় শক্ত রাখে

    ফুলকপিতে উপস্থিত ফাইবার হজমে সাহায্য করে

    কিডনি রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে ফুলকপিতে থাকা ফাইটোকেমিক্যালস

    এই সবজিতে থাকা সালফোরাফেন রেটিনা নষ্ট হওয়া রোধ করে

উচ্চমাত্রায় ফাইবার থাকায় ফুলকপি রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করতে পারে

     ফুলকপিতে থাকা বিভিন্ন রকমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চামড়ার ডার্ক স্পট কাটাতে সাহায্য করে (ডিসক্লেমার : এগুলি এবিপি আনন্দর সাজেশন মাত্র। যে কোনও রকম রোগের ক্ষেত্রে কী সব্জি খাবেন বা কী ডায়েট চার্ট ফলো করবেন তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন)।

   

   সারা বছর ধরেই এখন ফুলকপি বাজারে পাওয়া যায়। তবে শীতকালীন ভাল সব্জির মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। দেখতে একদম ফুলের মতো বলেই এর নাম ফুলকপি। বাঙালির আবার ফুলকপির প্রতি দুর্বলতা রয়েছে। সে খিচুড়িই হোক, বা সব্জির তরকারি, সবেতেই ফুলকপি দেওয়া চাই-ই চাই।

     এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শীতকালের জন্য ফুলকপি আর ফুলকপির জন্যই বোধহয় শীতকাল!

     সারা বছর ধরেই এখন ফুলকপি বাজারে পাওয়া যায়। তবে শীতকালীন ভাল সব্জির মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। দেখতে একদম ফুলের মতো বলেই এর নাম ফুলকপি। বাঙালির আবার ফুলকপির প্রতি দুর্বলতা রয়েছে। সে খিচুড়িই হোক, বা সব্জির তরকারি, সবেতেই ফুলকপি দেওয়া চাই-ই চাই। তবে বেশি খাওয়া একদমই উচিত নয়।

     আগে আমরা মটরশুটি নিয়ে কথা বলেছিলাম। এবার আলোচনা করব ফুলকপির গুণাবলী নিয়ে।

     ১. ফুলকপির খাদ্যগুণ অপরিসীম। ১০০ গ্রাম ফুলকপি থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোক্যালোরি সক্তি পাওয়া যায়। এছাড়া এই সব্জি থেকে ৫-৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২ গ্রাম প্রোটিন, ০.৩ গ্রামের মত ফ্যাট পাওয়া যায়। এছাড়া ভিটামিন C, ভিটামিন K, ক্যালসিয়াম, আয়রন থাকে।

২. ফুলকপিতে প্রচুর পরিমানে জল আর তন্তু থাকে। এতে শরীর খুব ভাল থাকে। ডায়াবেটিস রোগীরা ফুলকপি নিঃসন্দেহে খেতে পারেন।

৩. ফুলকপি মুখের ভিতর মিউকাস মেমব্রেনকে ঠিক রাখে।

৪. প্রোস্টেট ক্যানসারের জন্য ফুলকপি খুবই উপকারী। এই সব্জি ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে।

৫. শিশু বা বয়স্করা ফুলকপি খেতে পারেন। কারণ, ফুলকপি দেহে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা অনেকাংশেই বাড়িয়ে তোলে।

৬. সেদ্ধ ফুলকপি খেতে পারেন। তবে যাঁরা গ্যাস বা অম্বল রোগে ভোগেন তাঁদের ফুলকপি না খাওয়াই ভালো।

৭. যাদের থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে, তাঁদেরও এই সব্জি না খাওয়াই ভাল।

৮. বর্তমানে ফুলকপি চাষে অত্যন্ত রাসায়নিক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। তাই রান্না করার আগে ঈষদুষ্ণ জলে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর জল ছেঁকে ফুলকপি রান্না করুন।


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

Labels

Present Tense (25) Normal English Lessons (15) মধু খাওয়ার উপকারিতা (14) Tense (12) Regular English Lessons (11) জীবন বদলে দেওয়ার মতো 30 টি বাণী (11) রসুনের উপকারিতা (10) Interrogative Sentence (8) Negative Sentence (8) Swami Vivekananda Bani in Bengali – বিবেকানন্দের অমূল্য বাণী (8) Affirmative Sentence (হাঁ -বাচক ) (7) Interrogative Negative (7) পেয়ারার উপকারিতা (7) কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট কোড এবং টেকনিক – (keyboard shortcuts) (6) রবীন্দ্রনাথের বাণী সমগ্র (6) 7 Idioms Starting with "Cold" (4) Parts of Speech-English Grammar (ইংরেজি ব্যাকরণ) (4) Sayings Starting with "Cross" and "Cry" (4) 6 Idioms Starting with "Close" (3) এ.পি.জে আব্দুল কালাম (3) Adjective (2) Figures of speech Starting with "Come" (2) Preposition (2) grammar (2) voice-active-voice-passive-voice (2) About Us (1) Adverb (1) Believe-in-yourself-sand-stone. (1) Computer Shortcut Keys (1) Motivational speech (1) Noun (1) Parts of Speech: Noun (1) Pronoun (1) Verb (1) এ.পি.জে আব্দুল কালামের অনুপ্রেরণাদায়ক বাণী (1) ব্যবহার এবং অপকারিতা (1)

My Blog List

  • Positive Thoughts - * 1) ‘Dreams are not what you see in your sleep. Dreams* *That's what keeps you awake. '* *2) ‘To be as bright as the sun first* *You have to burn li...
    10 months ago

Popular Posts

Most Popular

জীবন বদলে দেবার মতো উক্তি,গুণীজনের বাণী , যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে

জীবন বদলে দেবার মতো উক্তি  জীবন ও সময় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, জীবন শেখায়, সময়কে ভালোভাবে ব্যবহার করতে। আর সময় শেখায়, জীবনের মূল্য দিতে।...