English to Bengali, বাংলা ও ইংরেজি, Online English to Bengali Tense, English Gramma

শিক্ষায় জীবন

Showing posts with label মধু খাওয়ার উপকারিতা. Show all posts
Showing posts with label মধু খাওয়ার উপকারিতা. Show all posts

আজ আপনাদের কিছু অবাক তথ্য তথা কিছু মনবৈজ্ঞানিক তথ্য জানাতে চলেছি। মজার তথ্য PSYCHOLOGICAL FACTS IN BENGALI PRESENTING PSYCHOLOGICAL FACTS,

 মজার তথ্য PSYCHOLOGICAL FACTS IN BENGALI PRESENTING PSYCHOLOGICAL FACTS,

আজ আপনাদের কিছু অবাক তথ্য তথা কিছু মনবৈজ্ঞানিক তথ্য জানাতে চলেছি।


1. আপনার কাছে থেকে কেউ কথা লুকোচ্ছে? এক কাজ করুন তাকে আপনি গভীর রাতে ফোন করুন বা গভীর রাতে তার সঙ্গে কথা বলুন, কারণ এই সময়টিতে মানুষের মনের কথা মুখ দিয়ে বেড়িয়ে আসার সম্ভাবনা বেশি। আর এর পেছেন কারণটি হল- সারাদিনের ক্লান্তির দরুন, তার মস্তিষ্ক বেশি কিছু ভাবে না, আর সে মুখ দিয়ে যা কিছু বলবে, তার অধিকাংশই খাঁটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

2. কি ভাবছেন হাসা কি অতি সহজ? না তা আসলে নয়। হাসার জন্য আমাদের মস্তিষ্কের পাঁচটি পৃথক পৃথক অঙ্গের একসাথে কাজ করার দরকার হয়। তাই সহজে হাসা সম্ভব নয়।

3. নিজের সবথেকে কাছের বন্ধুকে বিয়ে করলে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা ৭০% কমে যায়। আর এই বিবাহ আজীবন সাথে থেকে চলার অনুপ্রেরনা দেয়। কারণ আপনারা ইতিমধ্যে একে- অপরকে ভালোমত জানেন, এবং একে অপরকে বোঝেন। যদি অজানা মানুষের সাথে আপনার বিবাহ হয়, তাহলে আপনাদের একে অপরকে বুঝতেই অনেকটা সময় চলে যাবে।

4. হুম তবে দেখা যায়, ভালোবাসার বিবাহ গুলিতে মানুষ বেশি আত্মহত্যা করে। আর এর পেছনে কারণ হল- একে অপরকে বুঝতে পারার অক্ষমতা।


5. আমাদের শরীর কখন দুর্বল বোধ করে জানেন? যখন আমরা নেতিবাচক চিন্তা- ভাবনা মনে পুষে রাখি।

6. চকোলেট এবং অনলাইন শপিং করার নেশা সিগারেট, ড্রাগের নেশার থেকেও বেশি ভয়ংকর।

7. যখন আমরা নিজের কাজের মধ্যে ডুবে থাকি তখন দেখবেন আমাদের কেমন যেন ফুর্তি ফুর্তি অনুভব হয়। আর এর কারণ হল তখন আমাদের মস্তিষ্ক থেকে নেতিবাচক ভাবনা-চিন্তা গুলি মুছে যায়, তাই।


8. যে সমস্ত ব্যাক্তি মিথ্যা কথা বলতে অভ্যস্ত, সেই সমস্ত ব্যাক্তিরা অন্যের কথায় ক্ষুদ ধরতেও অভ্যস্ত।

9. পৃথিবীর প্রায় ৬৮% মানুষ Phantom Vibration syndrome –এ ভুগে থাকেন। যেখানে মাঝে মাঝেই তাদের মনে হয় যে, তাদের মোবাইলটি vibrate করছে, যদিও আসলে মোবাইল Vibrate করছে না। এই সমস্যা তাদের সাথেই বেশি হয় যারা অধিকাংশ সময়েই তাদের মোবাইল Vibrate Mode –এ রাখেন।

10. আমাদের ফ্যাশন এবং কোনো বস্র পরিধান সরাসরি আমাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে সম্বন্ধিত। যখন আমরা ভালো বস্র পরিধান করি তখন আমাদের মন নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। এবং আমরা বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়ি।

11. একটি সার্ভে মোতাবেক একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সেটি হল- মে মাসে যে সমস্ত বাচ্চারা জন্ম নেয়, তাদের ওজন অন্য মাসে জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের ওজনের তুলনায় একটু বেশি হয়। এর পেছনে কি কারণ কাজ করছে, তা আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

12. আরেকটি সার্ভে অনুসারে, মানুষ টাকা দিয়ে সম্পত্তি কেনার চেয়ে ভ্রমণ, সিনেমা দেখা, খেলা দেখা ইত্যাদিতে বেশি সন্তুষ্ট হয়।

13. আপনি চেষ্টা করলেও এক সময়ে তিন বা চারটির বেশি জিনিসের কথা কখনোই মনে রাখতে পাড়বেন না।

14. অনেকটা সময় ভাব গম্ভীর হয়ে একাকি থাকা এবং দিনে পনেরোটা সিগারেট খাওয়া একই ব্যাপার বলে মনবিজ্ঞানীরা মনে করেছেন।

15. যদি কোনো বন্ধুত্ব সাত বছরের বেশি স্থায়ী হয়, তাহলে বেশিরভাগ সময় সেই বন্ধুত্ব আজীবন টিকে থাকার সম্ভাবনা ৯৫% বেশি।

16. একটি সাইকোলজি অনুসারে অধিকাংশ মানুষের প্রেমে পড়তে সময় লাগে মাত্র – চার মিনিট।


17. যদি কেউ আপনাকে বলে- “তুই আগের থেকে বদলে গেছিস”, তাহলে ধরে নেবেন যে আগে আপনার মধ্যে বিশেষ কিছু ছিল যা তার ভালো লাগত কিন্তু সেই বিশেষ গুনটি আপনার মধ্যে সে আর দেখতে পাচ্ছে না।

18. কারও কাছে ক্ষমা চাওয়ার অর্থ এটি নয় যে, আপনি ভুল আর সেই ব্যক্তিটি ঠিক। আসলে আপনার কাছে ইগোর তুলনায় সেই ব্যাক্তিটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

19. যে ব্যাক্তি ভীরের মধ্যে নিজের পকেটে হাত ঢুকিয়ে নেন, তিনি আসলে খুব লাজুক স্বভাবের হয়ে থাকেন।

20. সাইকোলজি বলে যে ব্যাক্তি যত খুশি, সেই ব্যাক্তির ঘুমের চাহিদাও ততই কম হয়ে থাকে।

21. যদি আপনি কাউকে কলম দিয়ে থাকেন,সেই কলমটি ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় থাকে না। যখন কেউ আপনার কাছে কলম চায়, তখন তাকে কলমের টুপি ছাড়া দিন। এরফলে অধিকাংশ মানুষ আপনার কলম আপনাকে ফিরিয়ে দেবে, কারণ কেউই একটি টুপি ছাড়া কলম নিজের পকেটে রাখতে চাইবে না।

22. যেসমস্ত মেয়েদের ছেলে বন্ধু (হতে পারে স্কুলের, কলেজের ইত্যাদি ইত্যাদি) বেশি থাকে, তারা অন্য মেয়েদের তুলনায় অধিক cool থাকে। এবং তারা অধিক চিন্তা মুক্ত থাকে ও মনে অধিকাংশ সময় ফুর্তি ভাব থাকে। ঠিক একই রকম বিষয় কাজ করে ছেলেদের মধ্যেও। তবে খালি বন্ধু থাকলে হবে না, যোগাযোগ রাখাটাও এক্ষেত্রে জরুরি।

23. যদি আপনি আপনার লক্ষ্যের কথা সবার সামনে বাড়বার বলেন, তবে সম্ভাবনা আছে, সেই লক্ষ্যটি আপনার কোনোদিনই পূরণ হবে না। কারণ প্রচারের মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের অনুপ্রেরণা হারিয়ে ফেলছেন।

24. যে সমস্ত ব্যাক্তি কোনো মানুষের কাজ দেখেই তার ভালোমন্দ বিবেচনা না করেই, তার সমালোচনায় মুখর হন তিনি আসলে আত্মবিশ্বাস হীনতায় ভুগছেন।

25. দেখা গেছে যে, যেসমস্ত মানুষ বোকার মত প্রশ্ন করে এবং কোনো পরিস্থিতিতে হঠাৎ উত্তর দিয়ে দেয়, তারা আদতে একটু বেশি বুদ্ধিমান স্বভাবের হয়ে থাকে।

26. কোনো মানুষ যদি জেনেশুনে মিথ্যা কথা বলে, তাহলে তার নাক গরম হয়ে যায়। আপনি লক্ষ্য করবেন যে তার নাক ঘেমে যাচ্ছে, বা সে বাড়বার নাকে হাত দিচ্ছে। এরথেকেই আপনার বুঝে নেওয়া উচিত যে, সে আদতে মিথ্যে বলছে।  


27. আপনি কোনো মানুষের সাথে কথা বলার সময় যদি লক্ষ্য করেন যে, সে বারংবার তার পা দিয়ে মাটিতে দাগ কাটছে বা পা এদিক- ওদিক করছে বা সে আগে- পিছে হচ্ছে, তাহলে আপনার বুঝে নেওয়া উচিত যে, সে আপনার সাথে আর সময় কাটাতে চাইছে না।

28. যখন আপনি কাউকে মন থেকে ভালোবাসেন, তখন আপনি লক্ষ্য করবেন যে, আপনি চাইলেও তার সামনে মিথ্যে কথা সহজে বলতে পাড়ছেন না।

29. যদি আপনি দেখেন যে, কোনো মানুষ হঠাৎ করেই প্রচণ্ড রেগে যাচ্ছেন, তার মানে হল সে ওই সময়টিতে প্রচণ্ড চাপে আছে, বা তার মাথায় কোনো গভীর চিন্তা চলছে, তাই এইসময়টিতে আপনার উচিত, তাকে বিরক্ত না করে একটু ভালোবাসা দেওয়ার।

30. যে সমস্ত ব্যাক্তি নিজে- নিজেই কথা বলে তারা আসলে স্মার্ট স্বভাবের হয়ে থাকে।

31. উচ্চ এবং দ্রুত বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষেরা বেশি রাতে ঘুমোতে পছন্দ করেন।

32. যদি আপনি আপনার পছন্দের গানকে আপনার alarm –এ সেট করে দেন, তাহলে দু-এক দিনের মধ্যেই সেই গানটির প্রতি আপনার বিরক্ত চলে আসবে। যেমন- কিছুদিন আগে ভাইরাল হয়েছিল রানু মণ্ডলের গান। অনেক মানুষই এটিকে ringtone, alarm –এ লাগিয়ে দেয়। কিন্তু কিছুদিন পর এমন একটা পর্যায় আসে, যেখানে তার গান শুনলেই মানুষ রেগে যেত। 

33. আমাদের মস্তিষ্ক সবসময় সমস্যা খুঁজে। আর এর কারণেই আমরা একটি সাধারণ ছোট্ট ব্যাপারকেও বড় বানিয়ে ফেলি।


34. একটি সত্য ঘটনার তুলনায় মানুষ একটি মিথ্যা সাজানো ঘটনায় বেশি দ্রুত বিশ্বাস করে ফেলে। আর আপনি চাইলেও তাকে সত্যটি সহজে বোঝাতে পাড়বেন না। কিন্তু মিথ্যে বলুন কয়েক সেকেন্ডেই সে বিশ্বাস করে ফেলবে।

35. অধিকাংশ কমেডিয়ান এবং অন্যকে আনন্দ প্রদানকারী ব্যাক্তিরা আসলে বেশি দুঃখী হয়ে থাকে এবং তারা একাকীত্বে ভোগে।

36.যে ব্যাক্তি সবসময় হাসি খুশি থাকে, খোঁজ নিয়ে দেখবেন, সে তার ভিতরে অনেক জ্বালা- যন্ত্রণা পুষে রেখেছে।

37. যেসমস্ত ব্যাক্তিদের I.Q level বেশি হয়ে থাকে, তারা সহজে কারো প্রেমে পড়েনা। এরা অনেক কঠিন স্বভাবের হয়ে থাকে।

38. একটি সার্ভে মোতাবেক- অধিকাংশ মহিলা একটি কথা ৪৭ ঘণ্টা ১৯ মিনিট পর্যন্ত গোপন রাখতে পারে। তারপর সে অন্যকে বলবেই। 




পোস্ট টি পড়ে  যদি আপনি একটুও উপকৃত হন , তাহলে একটি কমেন্ট এবং আপনার কাছে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন ধন্যবাদ 






খেজুরের রসের উপকারিতা | খেজুর রস খাওয়ার উপকারিতা,নলেন গুড় শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, এর মধ্যে থাকছে একাধিক স্বাস্থ্যকর উপকারিতা, এই শীতে তবে জমিয়ে নলেন গুড় খান। পায়েস, পিঠে, পুলি তো রান্না হবেই।

খেজুরের রসের উপকারিতা | খেজুর রস খাওয়ার উপকারিতা

     পুষ্টিগত দিক থেকে খেজুর রসের উপকারিতা অনেক। গ্রাম বাংলা বা অধুনা শহরের শীতকালীন কৈশোরের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে খেঁজুরের রসের মাদকতা। শীতের কুয়াশামাখা সকালে গাছ থেকে নামানো সদ্য তাজা এক গ্লাস খেজুরের রসের আস্বাদন যিনি করেছেন, তিনিই জানেন এর তুলনা অন্য কোনো পানীয়ের সঙ্গেই করা বৃথা।

     তবে শহুরে আধুনিকতার আঁচ গ্রামে আসতে শুরু হতে, গ্রামেও কমছে খেজুর গাছের সংখ্যা। সেই সঙ্গে কমছে ‘গাছি’ বা খেজুরের রস সংগ্রহ করার মানুষের সংখ্যা। আগের দিন বিকালে খেজুর রসের চাষি বা ‘গাছি’ গাছে উঠে কলসি বেঁধে আসে রস সংগ্রহের জন্য। সারা রাত সেই কলসিতে রস জমা হয় এবং ভোরবেলা বা খুব সকালে তা নামানো হয়। সাধারণত অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত খেজুর রস সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। এই রস কাঁচা বা গরম করে খাওয়া হয়। এই খেজুরের রসকে ফুটিয়েই খেজুরের গুড় বা পাটালি তৈরি করা হয়, যা খাদ্যরসিক বাঙালির পিঠে-পুলি-পায়েসের অন্যতম একটি উপাদান।


     শুধু স্বাদেই নয়, খেজুরের রসের জনপ্রিয়তা এর পুষ্টিমূল্য বা উপকারিতার জন্যও। খেজুর রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ।


খেজুরের রসের উপকারিতা

১) খেজুরের রসে দ্রবীভূত শর্করা বা গ্লুকোজের পরিমান কমবেশি ১৫% থেকে ২০% এবং এতে আছে প্রচুর প্রোটিন, সহজপাচ্য ফ্যাট এবং খনিজ বা মিনারেল। এত পুষ্টিগুণসম্পন্ন এবং জলীয় অংশ বেশি হওয়ার কারণে খেজুরের রসকে প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংকও বলা হয়ে থাকে।


২) পরীক্ষা করে দেখা গেছে খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড়ে প্রচুর পরিমান লৌহ বা আয়রন থাকে। ফলে খেজুরের রস খেলে বা প্রতিদিন অল্প পরিমাণে খেজুরের গুড় খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক থাকে, অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ হয়।


৩) খেজুরের রসে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম ও সোডিয়াম থাকায়, খেজুরের রস বা গুড় পেশীকে শক্তিশালী করতে বিশেষ কার্যকরী। তাছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম, যার ঘাটতির কারণে আমাদের অবসন্ন বা ক্লান্তি ভাব আসে। তাই খেজুরের রস বা গুড় সেবনে শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়ে কর্মস্পৃহা ফিরে আসে।


৪) প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ হওয়ায় খেজুরের রস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শীতের দিনে শরীর গরম রাখে। ফলে সর্দিকাশির হাত থেকে বাঁচায়।


৫) অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে বা ওজন কমাতে চিনির পরিবর্তে খেজুরের গুড় খাওয়া যেতে পারে – এক্ষেত্রে এর পরিবর্ত হিসাবে অন্য কিছু ভাবা যায় না। পর্যাপ্ত পটাশিয়াম থাকায় শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।


আরও পড়ুন – মোটা হওয়া বা ওজন বৃদ্ধির কারণ

৬) বিশেষজ্ঞদের মতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও খেজুরের রসের কার্যকরী ভূমিকা আছে। খেজুরের রস থেকে উৎপাদিত গুড় অনিদ্রা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।


৭) খেজুরের রস আমাদের হজমে সাহায্যকারী উৎসেচকগুলির কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে খাবার তাড়াতাড়ি হজম হয়। আপনি যদি প্রতিদিন খাওয়ার পর সামান্য পরিমাণ খেজুরের গুড় খান তাহলে হজম তাড়াতাড়ি হবে।


খেজুর রস খাওয়ার আগে কিছু সাবধানতা :

    যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা খেজুরের রস বা গুড় না খাওয়াই ভালো। তবে এ ব্যাপারে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।


     খেজুরের রস ভোর বা সকালে খাওয়াই ভালো। দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি ক্রমশ গেঁজে ওঠে এবং অম্লত্ব বৃদ্ধি পায়, তা পান করলে বমি হতে পারে এবং শরীরের জন্যও ক্ষতিকর।


     খেজুরের রসের কলসি বাঁধার সময় কলসির মুখ জাল দিয়ে ঢেকে দেওয়া উচিত। অনেক সময় বাদুড় কলসির ভিতর মুখ ঢুকিয়ে রস খায়। এ থেকে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই খেজুরের রস ফুটিয়ে খাওয়া বেশি নিরাপদ।


    কোনো জিনিসই অতিরিক্ত ভালো নয়, তা সে যতই ভালো হোক না কেন! খেজুরের রস এক বা দু’গ্লাস পান করাই যথেষ্ট। এর বেশি পান না করাই ভালো।




জেনে নিন খেজুরের রসের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা 


     শীত এলেই মনে হয় খেজুরের রস খাওয়ার কথা। শহরের দিকে এ রস পাওয়া সত্যি বিরল। গ্রামাঞ্চলেও আজকাল সহজে দেখা মেলে না এ রসের। 


     খেজুরের রস কিন্তু বেশ উপকারী পানিও আমাদের জন্য। খেজুরের রসে প্রচুর এনার্জি বা শক্তি রয়েছে। এতে জলীয় অংশও বেশি। এই রসকে প্রাকৃতিক ‘এনার্জি ড্রিংক’ বলা যেতে পারে। এতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকে। 


     খেজুরের রস কাঁচা খাওয়া যায়, আবার জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করেও খাওয়া যায়। গুড়ে আয়রন বা লৌহ বেশি থাকে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। 


     যারা শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন, কাজকর্মে জোর পান না, খেজুরের রস তাঁদের জন্য দারুণ উপকারী। খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৫-২০% দ্রবীভূত শর্করা থাকে।


    খেজুরের গুড় আখের গুড় থেকেও বেশি মিষ্টি, পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। খেজুরের গুড়ে প্রোটিন, ফ্যাট ও মিনারেল সবই রয়েছে। যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা খেজুরের রস এড়িয়ে যাবেন।


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 



স্বাভাবিকভাবে ওজন কমানোর উপায় , Weight Loss Tricks In Bengali.

 স্বাভাবিকভাবে ওজন কমানোর উপায়  , Weight Loss Tricks In Bengali.

আমাদের যাদের ওজন বাড়ার ধাত আছে, তাদের পক্ষে ওজন কমানোটা (weight loss) একটা চ্যালেঞ্জিং (challenging) ব্যাপার. ইন্টারনেটে অনেক রকমের ওজন কমানোর উপায় (weight loss) আছে, এমনকি একদিনে একটা নির্দিষ্ট পরিমান ওজন কমানোর (weight loss) উপায়ও (tricks) আপনি পাবেন. কিন্তু এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই উপায়গুলো (tricks) কোনো কাজ করে না. কারণ ঝটপট করে প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে ওজন কমানোর (weight loss) চেষ্টা করলে বেশিরভাগ সময়েই তা উল্টো ফল দেয়. আপনি হয়তো ওজন কমিয়ে (weight loss) নিলেন, কিন্তু দেখা গেলো যে অন্য কোনো শারীরিক অসুবিধে আপনার জীবনে আসতে শুরু করলো. তাই তাড়াহুড়ো না করে স্বাভাবিক নিয়মে যদি আপনি আপনার ওজন কমানোর (weight loss) চেষ্টা করেন, তাহলে সেটা কার্যকরীও হবে এবং দীর্ঘস্থায়ীও হবে. শুধু কয়েকটা নিয়ম মেনে চলতে হবে একটু. আজ আমরা আপনাকে ১৩ টি Weight Loss Tips জানাবো, যাতে আপনি স্বাভাবিক ভাবে নিজের ওজন কমাতে পারেন (Weight Loss Tricks) এবং নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণেও রাখতে পারেন.


১. বেশি করে প্রোটিন খান

আমাদের অনেকেরই ধারণা আছে যে কম খেলে বা না খেয়ে থাকলে তাড়াতাড়ি ওজন কমে (weight loss). ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল. পেট খালি রাখলে ফ্যাট (fat) জমার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে. আর শরীরে যথেষ্ট পুষ্টির (nutrition) অভাবে আপনি দুর্বল হয়ে পড়েন. ফলস্বরূপ, আপনার ইমিউনিটি (immunity) কমতে থাকে এবং অসুস্থ হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি হয়ে যায়. তাই খাওয়া বন্ধ করবেন না. বরঞ্চ খাবারে প্রোটিন যোগ করুন. বেশি করে প্রোটিন খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কমে এবং প্রোটিন যেহেতু অনেক বেশি পুষ্টিকর, ফলে আপনার শরীরও ফিট থাকে. 



২. সিঙ্গেল ইনগ্রেডিয়েন্ট (single-ingredient) খাবার খান

না, শুধু একটা খাবার খেতে বলছি না. সিঙ্গেল ইনগ্রেডিয়েন্ট (single-ingredient) ফুড অর্থাৎ  যে খাবারগুলো প্রসেস (Processed)  করা নয়, সেই খাবার খান. রোজকার খাবার যেগুলো আমরা বাড়িতে তৈরী করে খাই, যেমন ডাল, ভাত, রুটি, মাছ, সবজি এসব. ফ্রেশ খাবার খান. আপনি যদি ডায়েটের দিকে বেশি নজর দিতে চান তাহলে সাদা ভাতের বদলে ব্রাউন রাইস খেতে পারেন. ব্রাউন রাইসে পুষ্টি (nutrition)  বেশি এবং যেহেতু এটি রিফাইন্ড বা পালিশ করা হয় না তাই শরীরে কোনো ক্ষতিও করে না. তা ছাড়া ফল, শাক-সবজি এগুলো বেশি করে খান. 



৩. প্রসেসড (Processed) এবং Canned খাবার একদম না

সত্যি কথা বলতে কি আমরা সবাই এখন এতটাই ব্যস্ত যে নিজেদের জন্য সময় বার করা খুব কষ্টকর. তার ওপর যদি আবার রান্না করতে হয়, সে সময় নেই কারো কাছে. তাই অনেকসময়ই আমরা প্রসেসড  (Processed) এবং Canned খাবার খেয়ে নি. সময়ও বাঁচে আর খাবার গুলো খেতেও খুব একটা খারাপ না. কিন্তু আপনি কি জানেন যে এই প্রসেসড (Processed) এবং Canned খাবার আপনার কতটা ক্ষতি করছে? আর আপনি যদি ওজন কমাতে  (weight loss) চান, তাহলে কিন্তু আপনার এই ধরণের খাবার একেবারেই খাওয়া চলবে না. 




৪. হেলদি স্ন্যাক্স খান (Healthy Snacks)

ওজন কমানোর (weight loss) জন্য খাওয়া-দাওয়া করাটা খুব জরুরি, কিন্তু তা বলে যা ইচ্ছে তাই খেলে কিন্তু আপনার সমস্ত পরিশ্রম ব্যর্থ! বিকেলের দিকে বা সন্ধ্যাবেলা যখন অল্প খিদে পায় তখন মনে হয় কিছু হালকা খাবার খাই. আর বেশিরভাগ সময়েই আমরা চিপস, চানাচুর বা ভাজা-ভুজি খেয়ে নি. আপনিও তাই করেন তো? যদি এতদিন তাই করে থাকেন, তাহলে এখন থেকে আর সেটা করবেন না. যখন একবার ঠিক করে নিয়েছেন যে ওজন (weight loss) কমাবেন, তখন ডায়েটের দিকেও নজর দিন. ভাজার পরিবর্তে হেলদি স্ন্যাক্স (healthy snacks) খান. দই, শশা দিয়ে মুড়ি, বাদাম, ডিমসেদ্ধ এগুলো খান. 



৫. মিষ্টি না খেলেই ভালো

মিষ্টি খেতে আমরা অনেকেই ভালোবাসি আর মিষ্টি কিন্তু ওজন কমানোর (weight loss) পথে একটি বড় বাধা! মিষ্টি মানে যে কোনো রকমের মিষ্টিই – চিনি থেকে আরম্ভ করে ক্যান্ডি – যে কোনো রকমের মিষ্টি জিনিস খাওয়া বন্ধ করুন. যদি একান্তই খুব কষ্ট হয়, তাহলে মাসে একদিন অল্প ডেসার্ট খেতে পারেন. কিন্তু চা-কফিতে চিনির পরিমান কমিয়ে ফেলুন. 



৬. জল খান

জল খেলে ওজন কমে (weight loss) – কিন্তু তা বলে শুধু কি আর জল খেয়ে থাকতে বলছি? বলছি জল খাবার পরিমানটা বাড়াতে, আর নির্দিষ্ট সময়ে জল খেতে. সকালে ঘুম থেকে উঠে ২ গ্লাস জল খান. এতে আপনার সিস্টেম ক্লিয়ার হয় এবং শরীরে জমে থাকা টক্সিন (toxin) ফ্লাশ আউট (flush out) হয়ে যায়. যখনি খাবার খাবেন, তার আগে এক গ্লাস জল খান, এতে আপনার পেট ভরা ভরা লাগবে এবং আপনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাবার খাবেন না. তা ছাড়া অনেক সময় আমরা তেষ্টা পেলে সফ্ট-ড্রিঙ্কস বা শরবত খেয়ে নি, তার বদলে জল খেয়ে তেষ্টা মেটান. এতে আপনার শরীরে এক্সট্রা ক্যালোরিও ঢুকলো না আবার তেষ্টাও মিটলো!



 ৭. ঘুমোন

ওজন কমানোর (weight loss) জন্য এবং সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ঘুমোনোটা খুব প্রয়োজন. যদি ঘুম সম্পূর্ণ না হয়, তাহলে সারাদিন একটা ক্লান্তিভাব থাকে আর কোনো কাজ করতে ইচ্ছে করে না. আর আপনি কি জানেন, ঘুম কম হলে খিদেও বেশি পায়? তাছাড়া ঘুম কম হলে ওবেসিটির (obesity) মত সমস্যাও আসতে পারে, তখন কিন্তু ওজন কমাতে (weight loss) পারবেন না. তাই ঠিক সময়ে শুতে যান এবং সকালে তাড়াতাড়ি উঠুন. .


৮. এক্সারসাইজ (exercise)

দেখুন, ওজন কম করতে (weight loss) হলে একটু তো খাটতেই হবে,তাই না? এক্সারসাইজ (exercise) করাটা সে জন্য খুব দরকার. নিয়মিতভাবে এক্সারসাইজ (exercise) করুন, সেটা জিমে গিয়েই হোক কিংবা বাড়িতে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ (exercise) করেই হোক. সেরকম হলে সকালবেলা বাড়ির পাশেই কয়েকপাক দৌড়ে আসুন. আর যদি আপনি ফিটনেস নিয়ে একটু বেশি সিরিয়াস হন, তাহলে জগিং, কার্ডিও, ব্রিকস বা হাইকিং করতে পারেন. সাঁতার কাটাও কিন্তু একটা ভালো এক্সারসাইজ(exercise). দিনে অন্তত এক ঘন্টা ব্যায়াম (exercise) করুন. যোগ ব্যায়াম (yoga) করতে পারেন.




৯. ঝাল খান

না, কাঁচা কাঁচা লঙ্কা চিবোতে বলছি না. আপনি যদি ঝাল খেতে পছন্দ করেন, তাহলে জেনে রাখুন, লঙ্কা কিন্তু ওজন কমাতে (weight loss) সাহায্য করে. ঝাল খাবার খেলে আমাদের মেটাবলিসম ৮% বেশি তাড়াতাড়ি কাজ করে. ডিনারে অন্যান্য খাবারের সাথে কাঁচা লঙ্কা খান. এতে ফ্যাট বার্ন হয়. তাছাড়া দেখা গেছে, যারা ঝাল খান, তারা আস্তে আস্তে চিবিয়ে চিবিয়ে খাবার খান যেটা ওজন কমানোর (weight loss) জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ. 



১০. খাবার আগে স্যুপ (soup) খান

সম্প্রতি একটা রিসার্চে জানা গেছে যে খাবার খাওয়ার ১ ঘন্টা আগে যদি একবাটি স্যুপ (soup) খেয়ে নেওয়া যায়, তাহলে খিদে কম পায়. এর ফলে আপনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খান না এবং আপনার পেটও ভর্তি থাকে. ফলে আপনার ওজন কমতে (weight loss) বাধ্য. 



১১. খাবার পর দাঁত মাজুন

অনেকেই খাবার পর দাঁত মাজেন. হ্যাঁ, যতবার খাবার খান, প্রতিবারই দাঁত মাজেন. দাঁত মাজার পরে অনেকেই খেতে পছন্দ করেন না. তাছাড়া দাঁত মাজার পর মুখে টেস্ট পাওয়া যায় না ফলে বারবার অপ্রয়োজনে খাবার ইচ্ছেটা চলে যায়. তাই আপনিও যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখতে পারেন. সব সময় যদি টুথব্রাশ সঙ্গে রাখা সম্ভব না হয়, তাহলে একটা ছোট মাউথ-ওয়াশের বোতল রাখুন. একই কাজ করবে.



 ১২. শোবার আগে এক কাপ গ্রিন-টি খান

শোবার আগে এক কাপ গ্রিন-টি অবশ্যই খান. গ্রিন-টি মেটাবলিসম বাড়াতে সাহায্য করে আর ঘুমের মধ্যেও ফ্যাট বার্ন হতে থাকে. শুধু যে ওজন কমাতে  (weight loss) গ্রিন-টি (green tea) সাহায্য করে তা না, ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে. কিন্তু মনে রাখবেন, গ্রিন-টিতে (green tea) ক্যাফেইনের পরিমান কফির থেকে বেশি থাকে. তাই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি গ্রিন-টি (green tea) খাওয়াও কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর. 



১৩. হাসুন

হাসা একরকমের এরোবিক এক্সারসাইজ (exercise). আপনি কি জানেন, যদি আপনি ১ ঘন্টা প্রাণখুলে হাসেন, তাতে ঠিক ততটাই ওজন কমে যতটা ৩০ মিনিট ধরে ওয়েট -লিফটিং করলে কমে? প্রতিদিন ১ ঘন্টা প্রানখুলে হাসলে আপনার প্রায় ৪০০ ক্যালোরি বার্ন হয়. ১ ঘন্টা সম্ভব না হলে অন্তত ১৫ মিনিট সময় বার করে প্রতিদিন লাফিং এক্সারসাইজ (exercise) করুন.



পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?

    হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?

হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?
 হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?

       ফুলকপিতে রয়েছে সালফোরাফেন। এই উপাদান ক্যান্সারের স্টেম সেল মেরে টিউমারের বৃদ্ধি আটকায়। ফুলকপির এই উপাদান প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

     ফুলকপি ফাইবার-সমৃদ্ধ। যা হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। ফুলকপির সালফোরাফেন রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে

    ফুলকপিতে রয়েছে কোলিন। এটি এক ধরনের ভিটামিন বি। যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভাল রাখে

    ফুলকপিতে থাকা সালফোরাফেন, ভিটামিন সি ও ফোলাট ওজন ঝরাতে সাহায্য করে

    এটি ভিটামিন কে সমৃদ্ধ। যা হাড় শক্ত রাখে

    ফুলকপিতে উপস্থিত ফাইবার হজমে সাহায্য করে

    কিডনি রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে ফুলকপিতে থাকা ফাইটোকেমিক্যালস

    এই সবজিতে থাকা সালফোরাফেন রেটিনা নষ্ট হওয়া রোধ করে

উচ্চমাত্রায় ফাইবার থাকায় ফুলকপি রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করতে পারে

     ফুলকপিতে থাকা বিভিন্ন রকমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চামড়ার ডার্ক স্পট কাটাতে সাহায্য করে (ডিসক্লেমার : এগুলি এবিপি আনন্দর সাজেশন মাত্র। যে কোনও রকম রোগের ক্ষেত্রে কী সব্জি খাবেন বা কী ডায়েট চার্ট ফলো করবেন তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন)।

   

   সারা বছর ধরেই এখন ফুলকপি বাজারে পাওয়া যায়। তবে শীতকালীন ভাল সব্জির মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। দেখতে একদম ফুলের মতো বলেই এর নাম ফুলকপি। বাঙালির আবার ফুলকপির প্রতি দুর্বলতা রয়েছে। সে খিচুড়িই হোক, বা সব্জির তরকারি, সবেতেই ফুলকপি দেওয়া চাই-ই চাই।

     এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শীতকালের জন্য ফুলকপি আর ফুলকপির জন্যই বোধহয় শীতকাল!

     সারা বছর ধরেই এখন ফুলকপি বাজারে পাওয়া যায়। তবে শীতকালীন ভাল সব্জির মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। দেখতে একদম ফুলের মতো বলেই এর নাম ফুলকপি। বাঙালির আবার ফুলকপির প্রতি দুর্বলতা রয়েছে। সে খিচুড়িই হোক, বা সব্জির তরকারি, সবেতেই ফুলকপি দেওয়া চাই-ই চাই। তবে বেশি খাওয়া একদমই উচিত নয়।

     আগে আমরা মটরশুটি নিয়ে কথা বলেছিলাম। এবার আলোচনা করব ফুলকপির গুণাবলী নিয়ে।

     ১. ফুলকপির খাদ্যগুণ অপরিসীম। ১০০ গ্রাম ফুলকপি থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোক্যালোরি সক্তি পাওয়া যায়। এছাড়া এই সব্জি থেকে ৫-৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২ গ্রাম প্রোটিন, ০.৩ গ্রামের মত ফ্যাট পাওয়া যায়। এছাড়া ভিটামিন C, ভিটামিন K, ক্যালসিয়াম, আয়রন থাকে।

২. ফুলকপিতে প্রচুর পরিমানে জল আর তন্তু থাকে। এতে শরীর খুব ভাল থাকে। ডায়াবেটিস রোগীরা ফুলকপি নিঃসন্দেহে খেতে পারেন।

৩. ফুলকপি মুখের ভিতর মিউকাস মেমব্রেনকে ঠিক রাখে।

৪. প্রোস্টেট ক্যানসারের জন্য ফুলকপি খুবই উপকারী। এই সব্জি ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে।

৫. শিশু বা বয়স্করা ফুলকপি খেতে পারেন। কারণ, ফুলকপি দেহে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা অনেকাংশেই বাড়িয়ে তোলে।

৬. সেদ্ধ ফুলকপি খেতে পারেন। তবে যাঁরা গ্যাস বা অম্বল রোগে ভোগেন তাঁদের ফুলকপি না খাওয়াই ভালো।

৭. যাদের থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে, তাঁদেরও এই সব্জি না খাওয়াই ভাল।

৮. বর্তমানে ফুলকপি চাষে অত্যন্ত রাসায়নিক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। তাই রান্না করার আগে ঈষদুষ্ণ জলে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর জল ছেঁকে ফুলকপি রান্না করুন।


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

তরমুজের উপকারিতা, ব্যবহার , Watermelon Benefits, Uses and Side Effects in Bengali


তরমুজের উপকারিতা, ব্যবহার এবং ক্ষতিকারক দিক – Watermelon Benefits, Uses and Side Effects in Bengali]



           গরমের দুপুরে ঠান্ডা মিষ্টি তরমুজ ভাবতেই কেমন জিভে জল এসে গেলো, তাই না? এটি এমন একটি ফল যা একদিকে দেখতেও যেমন সুন্দর, তেমনি খেতেও অসাধারণ সুস্বাদু, আবার তরমুজের স্বাস্থ্য উপকারিতাও প্রচুর। প্রায় সপ্তম শতাব্দী থেকে এই তরমুজ আমাদের ভারতবর্ষে চাষ করা হয়ে আসছে এবং এখন এটি চীনের পরে ভারতবর্ষেই সব থেকে বেশি চাষ করা হয়ে থাকে (১)। বাজারে খুব সহজেই তরমুজ কিনতে পাওয়া যায় এবং উপকারের তুলনায় এর দামও বেশ সস্তা। আজ আমরা আপনাকে তরমুজ সম্পর্কে যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করব এই পোস্টের মাধ্যমে। চলুন শুরু করা যাক।
            তরমুজ একটি সুস্বাদু ও রসালো ফল যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমানে পটাশিয়াম, ভিটামিন এ, সি ও বি (২)। কিন্তু যার জন্যে তরমুজের উপকারিতা আরও বেশি হয়ে ওঠে তা হল লাইকোপেন নামে এক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যার ফলে তরমুজের রং এতখানি লাল হয়ে থাকে। তরমুজে উপস্থিত এই লাইকোপেন বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে অতি প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে যা স্ট্রোকের সম্ভাবনা অর্থাৎ উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বেশ কার্যকরী (৩)। যদিও অন্যান্য অনেক ফলের মত এতে ফাইবারের পরিমান অতখানি নেই, কিন্তু এতে ক্যালোরির পরিমান খুবই কম যা শরীরে ফ্যাট জমতে দেয়না ও জলের পরিমান বাড়িয়ে দেয়।
নীচে বিস্তারিত ভাবে তরমুজের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে দেওয়া হল। চলুন দেখে নেওয়া   যাক।

১. হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে

          বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে তরমুজের উপকারিতা এতটাই যে প্রতিদিন অন্তত এক টুকরো করে তরমুজ খেলে নিষ্প্রয়োনীয় ও ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলকে দূরে রাখা যায় যা হার্ট সংক্রান্ত রোগগুলিকে প্রতিরোধ করতে পারে (৪)। তরমুজে উপস্থিত সিট্রোলিন হার্টের স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই ভাল। কারণ মহিলাদের মেনোপজ হওয়ার পর যে মাঝে মাঝে ধমনী শক্ত হয়ে যায় যা ব্যাথার সৃষ্টি করে, সেটি রোধ করে করতে সাহায্য করে এই সিট্রোলিন (৫)।

২. হজম ক্ষমতা বাড়াতে

    তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমানে জল যা হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে (৬)। এছাড়া এতে রয়েছে ফাইবার যা কোষ্টকাঠিন্য দূর করে ও খাবার হজম করিয়ে পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে (৭)।

৩. ওজন কমানোর জন্য

       তরমুজের সবথেকে বড় উপকারিতা হল এটি ওজন কমানোর জন্যে কার্যকরী জানা যায় কারণ তরমুজে জলের পরিমান খুবই উচ্চ (৬)। এর ফলে বিপাক ক্রিয়া সঠিক থাকে ও শরীরকে নানা ধরণের বিষক্রিয়া পদার্থ ও ফ্যাট থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করে, যা ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে (৮)।
একটি তরমুজের বড় টুকরোয় মাত্র ৮৬ ক্যালোরি , ২২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ১ গ্রামের থেকেও কম ফ্যাট থাকে এবং কোনোরকম কোলেস্টেরল থাকে না। এটি আপনার শরীরের প্রতিদিনের  ফাইবারের প্রয়োজনীয়তাকে ৫% মেটায় (৯) যা শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে।

৪. শরীর আর্দ্র রাখতে

       তরমুজে রয়েছে ৯০% জল যা শরীরকে বেশ আর্দ্র রাখে (১০)। তাই চা বা কফির তুলনায় তরমুজ খাওয়া অনেক বেশি উপকারী। তাই প্রস্রাবের পরিমান ঠিক থাকে ফলে কিডনিতে চাপ পড়ে না (১১)।

৫. ক্যান্সার রুখতে

          তরমুজে থাকা লাইকোপেন ক্যান্সারের প্রবণতা অনেকটা কমিয়ে আনে (১২) (১৩)। এই লাইকোপেনের জন্যেই তরমুজের রং গাঢ় লাল হয় এবং এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর যা ক্যান্সার রোধ করে (১৪)। দু কাপ তরমুজে রয়েছে ২০গ্রাম লাইকোপেন যা নানা ধরণের ক্যান্সারের বিরুধ্যে লড়াই করতে সাহায্য করে (১৫)। প্রস্ট্রেট ক্যান্সারের জন্যে লাইকোপেন কেমো থেরাপির মত কাজ করে যা সহজেই ক্যান্সারের কোষগুলি নষ্ট করে দেয় বলে জানা গেছে (১৬)। তবে এই ব্যাপারে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।

৬. মাংস পেশী ঠিক রাখতে:

ব্যায়াম বা জিম করার পর মাংস পেশীতে যখন ব্যাথা করে তখন ইলেকট্রোলাইট ও অ্যামাইনো অ্যাসিড ভরপুর সিট্রোলিন ( l-Citrulline) আরামদায়ক একটি ঔষধির কাজ করে (১৭)। তরমুজে রয়েছে এই সিট্রোলিন যা মাংস পেশির ক্লান্তি দূর করতে সক্ষম বলে জানা গেছে (১৯), (২০)। তাই তরমুজ খেলে শরীরে জমে যাওয়া ল্যাকটিক অ্যাসিড দূর হয় ও মাংস পেশি সচল রাখে (১৮)। তাই তরমুজের উপকারিতা পাওয়ার জন্য এর রস পান করার অভ্যেস করুন (১৯)।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

     তরমুজ ভিটামিন সি তে সমৃদ্ধ যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে (২০)। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন বি ৬ যা অ্যান্টিবডি গঠন করতে সাহায্য করে (২১)। এর ফলে শ্বেত রক্ত ক্ষণিকা সঠিক পরিমানে তৈরী হয়। তরমুজে থাকা ভিটামিন এ শরীরকে নানা ধরণের সংক্রমণ থেকে দূরে রাখে (২২)।

৮. হাঁপানির ক্ষেত্রে

        তরমুজে উপস্থিত লাইকোপেন নামক অ্যান্টি অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ যা শরীরের নানা সমস্যা যেমন ঠান্ডা লাগা ও জ্বর প্রতিরোধ করে (২৩)। এমনকি বয়স্কদের ক্ষেত্রেও তরমুজ হাঁপানির সমস্যা কম করতে পারে (২৪) ।

৯. কিডনির সুরক্ষা

         যদিও তরমুজে পটাশিয়াম রয়েছে, কিন্তু অন্যান্য ফলের তুলনায় এতে পটাসিয়াম মাত্রা বেশ কম যার ফলে কিডনির সমস্যায় ভোগা মানুষদের জন্যে এটি খুবই কার্যকরী (২৫)। কিডনির সমস্যা থাকলে কম পটাসিয়াম যুক্ত খাবার খাওয়াই উচিত এবং এক্ষেত্রে তরমুজ অনায়াসে আপনার খাদ্য তালিকায় যোগ করতে পারেন।

১০. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে:

      তরমুজে রয়েছে উচ্চ পরিমানে সিট্রোলিন যা উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে আনতে দারুন কার্যকরী (২৬)।

১১. চোখের জন্যে

          তরমুজ ভিটামিন এ তে পরিপূর্ণ যা চোখের জন্যে খুব প্রয়োজনীয়। ভিটামিন এ দৃষ্টি শক্তি প্রখর করে ও বয়সকালে দ্রুত ছানি পড়া রোধ করে। ফলে আপনি অনেক দিন পর্যন্ত স্পষ্ট  দৃষ্টি শক্তির অধিকারী হতে পারেন নিয়মিত তরমুজ খেলে (২৭)।

১২. ডায়াবেটিসের জন্যে

        হয়তো শুনতে অবাক লাগবে যে ডায়াবেটিস কমাতে তরমুজের ভূমিকা আছে জানলে? আসলে তরমুজের শর্করার পরিমান কম থাকে এবং এছাড়া তরমুজে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ও সঙ্গে অ্যান্টি ডায়াবেটিক উপাদানও (২৮)। কিন্তু এ ব্যাপারে অবশ্যই একবার ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।

১৩. গরমে স্ট্রোক আটকাতে

      শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও প্রচন্ড তেষ্টা মিটিয়ে তরমুজ শরীরে জলের পরিমান ঠিক রাখে। এর ফলে গরমে স্ট্রোক ( Heat stroke ) হওয়া রোধ করা সম্ভব হতে পারে (২৯)।

১৪. হাড়ের স্বাস্থ্য

         হাড়ের সুস্বাস্থের জন্যে ভিটামিন সি খুব প্রয়োজনীয় কারণ এটি হাড়ের ছোট খাটো সমস্যা খুব সহজেই দূর করতে পারে (৩০)। তরমুজ খাওয়ার ফলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের চিড় ধরা রোধ করা যায় (৩১)। এছাড়া হাড়ের বৃদ্ধিতেও এর প্রভাব আছে বলে জানা যায় (৩২)।

১৫. মাড়ির জন্যে

         তরমুজে থাকা ভিটামিন সি মাড়ির জন্যে খুবই ভালো (৩৩)। ভিটামিন সি এর অভাবে মাড়ি থেকে রক্তপাত ও মাড়ির ফোলাভাব দেখা যায় যা তরমুজ নিয়মিত খেলে অনায়াসে কমতে পারে (৩৪)। তরমুজ এমনকি মুখের ভেতরের ব্যাকটিরিয়া ও মাড়ির সংক্রমণও রোধ করতে সাহায্য করে।

১৬. কোষ নষ্ট হওয়া আটকায়

             লাইকোপেনে সমৃদ্ধ তরমুজ শরীরের কোষগুলিকে হার্টের রোগ সংক্রান্ত ক্ষতির থেকে রক্ষা  করে (৩৫) ।

১৭. গর্ভবতী মহিলাদের জন্যে

       গর্ভাবস্থার সময় বুকে জ্বালা ভাব হওয়া খুব সাধারণ। এছাড়া সকালে উঠে গর্ভবতী মহিলাদের অসুস্থ বোধ করতেও দেখা যায়। এই সবকিছু তরমুজ খেলে অনেকটা রোধ করা যায় (৩৬)। এমনকি গর্ভাবস্থার শেষের দিকে মাংস পেশিতে ব্যথা হওয়া রোধ করতে পারে এই তরমুজ।

১৮. ফোলাভাব দূর করে

       তরমুজে লাইকোপেন ছাড়াও রয়েছে আন্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা শরীরের সংক্রমণ ও ফোলাভাব দূর করতে সাহায্য করে (৩৭)।

১৯. শক্তি বাড়ায়

    তরমুজ হল ভিটামিন বি তে ভরপুর যা শরীরে শক্তি প্রদান করে বলে জানা যায় (৩৮)। কম  মাত্রায় ক্যালোরি থাকার ফলে এটি শরীরে যথার্থ পুষ্টি প্রদান করে শরীরে শক্তির যোগান দেয় যা আপনাকে সারাদিন তরতাজা রাখতে  সাহায্য করে। এছাড়া তরমুজে থাকা পটাশিয়াম শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের কাজ করে (৩৯)।

একটি তাজা তরমুজের পুষ্টিগত মান (৪০) – Watermelon Nutritional Value in Bengali  
তরমুজের ব্যবহার – How to Use Watermelon in Bengali

      তরমুজের উপকারীতা সম্পর্কে তো জানলেন, এবার আসুন দেখা নেওয়া যাক আপনি কতরকম ভাবে এই তরমুজ ব্যবহার করতে পারবেন –
      তরমুজ খাওয়ার সবথেকে সহজ উপায় হল এটিকে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে অল্প একটু নুন দিয়ে খেতে পারেন। খাওয়ার আগে একটু ফ্রিজে রেখে দিলে এটি আরো সুস্বাদু হয়ে ওঠে।
       তরমুজ খাওয়ার আরেকটি বিশেষ উপায় হল তরমুজের স্যালাড বানিয়ে খাওয়া। এই স্যালাড বানাতে আপনার প্রয়োজন কয়েক টুকরো তরমুজ, অল্প একটু পেঁয়াজ কুচি, শশা কুচি, লেবুর রস, কাজু বাদাম গুঁড়ো ও নুন। এই স্যালাড দেখতে ও খেতে উভয় দিক থেকেই অসাধারণ।
      তরমুজ দিয়ে আপনি খুব সুন্দর আইসক্রিম বানাতে পারবেন। এর জন্যে দুধ ভালো করে ফুটিয়ে তাতে চিনি, ভ্যানিলা এসেন্স ও তরমুজ দিয়ে গাঢ় হয়ে এলে সেটি ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিন। এটি খেতে দুর্দান্ত লাগে।
      তরমুজের শরবত খুব সহজেই আপনি বাড়িতে বানাতে পারেন। তরমুজ থেকে বীজ বের করে নিয়ে সেটি ব্লেন্ডারে অল্প জল বা দুধের সাথে মিশিয়ে একটু চিনি যোগ করে মিক্স করুন। এরপর সেটি পান করুন।
      তরমুজের ফ্লেভারের কেক খেতেও অসাধারণ লাগে। এর জন্যে প্রয়োজন বীজ ছাড়া তরমুজ, বেকিং পাউডার, আইসিং সুগার, ডিম, অল্প সাদা তেল, দুধ ও কোকো পাউডার। এগুলি সব একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে একটি কেক তৈরির মিশ্রণ তৈরী করে নিন এবং মাইক্রোওয়েভে বসিয়ে বেক করে নিন।
তরমুজকে বেশিদিন ধরে সুরক্ষিত রাখার উপায়
    তরমুজকে বেশিদিন ধরে সুরক্ষিত রাখার জন্যে আপনার প্রথমেই জানা প্রয়োজন কিভাবে কেনার সময় সঠিক তরমুজ বাছাই করবেন। নিচে সব বিস্তারিত ভাবে দেওয়া হল –
      একটি ভাল তরমুজ কেনার আগে দেখে নিন যেন সেটি যেন টাটকা ও সমতল আকারের হয়। সেটির গায়ে যেন কোনো কাটা বা ফুটোর দাগ না থাকে।
হাতে তুলে নিয়ে তরমুজটি ভালো করে ওজন করুন। একটি টাটকা তরমুজ ভারী হওয়া উচিত। ভারী থাকার অর্থ হল এতে জলের পরিমান সঠিক রয়েছে।
       তরমুজের গায়ে মাটির দাগটি লক্ষ্য করুন। যেই তরমুজে মাটির দাগ বেশি গাঢ়, সেটি সেরা। অর্থাৎ এটি মাটির সাথে ভালো করে থেকে পেকেছে এবং এতে বিষক্রিয়া পদার্থ অত বেশি নেই। মাটির দাগ হালকা থাকা মানে হল সেটি ভালোভাবে পাকার আগেই তুলে নেওয়া হয়েছে।
   একটি টাটকা তরমুজ কখনোই খুব বেশি ঝলমলে বা রঙিন হবেনা। টাটকা তরমুজের রং হবে হালকা সবুজ ও একটু ফ্যাকাসে।
এবারে জেনে নিন কিভাবে তরমুজ কেনার পর সেটি বহু দিন ধরে কিভাবে টাটকা রাখতে পারবেন-
      একটি গোটা তরমুজ আপনি ফ্রিজে প্রায় এক সপ্তাহ পর্যন্ত অনায়াসে টাটকা রাখতে পারবেন। শুধু খেয়াল রাখবেন যেন রাখার সময় সেটির গায়ে কোনো কাটা বা ফুটো না হয়ে যায় এবং ৪ ডিগ্রির নিচে যেন ফ্রিজের তাপমাত্রা না থাকে।
         তরমুজ কেটে সংরক্ষণ করার উপায় হল সেটি সমান ভাবে ও সাবধানে একটি ছুড়ি দিয়ে এক ইঞ্চি আকারের টুকরো সব কেটে ফেলুন ও তারপর একটি কাঁচের বাটিতে রেখে একটি প্লেট দিয়ে ঢাকা দিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। এভাবে আপনি ৩-৪ দিন পর্যন্ত রাখতে পারবেন।

তরমুজের ক্ষতিকারক দিক – Side Effects of Watermelon in Bengali



       যতই উপকারিতা থাকুক না কেন, যে কোনো জিনিসই অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে ক্ষতি হতে পারে, তেমনি তরমুজ খাওয়ারও সঠিক নিয়ম আছে। তরমুজ অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে আপনার কি কি ক্ষতি হতে পারে তা নিচে দেখে নিন:
পেটের সমস্যা
     তরমুজে রয়েছে ভরপুর মাত্রায় লাইকোপেন যা অতিরিক্ত মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে পেটের নানারকমের সমস্যা দেখা দেয় যেমন বমি, পেট খারাপ, হজমের সমস্যা, পাতলা পায়খানা ইত্যাদি।
হাইপারক্যালেমিয়া
          হাইপারক্যালেমিয়া এমন একটি রোগ যেখানে শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক মাত্রায় পটাশিয়াম বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত পরিমান তরমুজ খেলে হতে পারে (৪১)। এর ফলে হার্টের সমস্যা যেমন অনিয়মিত হৃদস্পন্দন ও দুর্বল নাড়ি, ইত্যাদি সমস্যা হয়।
অ্যালার্জি
          যাদের তরমুজ খেলে অ্যালার্জি হয়, তাদের কোনোভাবেই তরমুজ খাওয়া উচিত না (৪২)। এতে শরীরে চুলকানি, ত্বকের লালচে ভাব দেখা যায়।
          তবে যাই হোক না কেন, গরমের দিনে তরমুজ খাওয়ার আরামই আলাদা। আগের সব তথ্য পড়ার পর তরমুজের স্বাস্থ্য উপকারিতা আপনি কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারবেন না। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই যোগ করুন এই সুস্বাদু ও উপকারী ফলটি।

পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হন, তাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন, 
 এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 

Thank You 


Labels

Present Tense (25) Normal English Lessons (15) মধু খাওয়ার উপকারিতা (14) Tense (12) Regular English Lessons (11) জীবন বদলে দেওয়ার মতো 30 টি বাণী (11) রসুনের উপকারিতা (10) Interrogative Sentence (8) Negative Sentence (8) Swami Vivekananda Bani in Bengali – বিবেকানন্দের অমূল্য বাণী (8) Affirmative Sentence (হাঁ -বাচক ) (7) Interrogative Negative (7) পেয়ারার উপকারিতা (7) কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট কোড এবং টেকনিক – (keyboard shortcuts) (6) রবীন্দ্রনাথের বাণী সমগ্র (6) 7 Idioms Starting with "Cold" (4) Parts of Speech-English Grammar (ইংরেজি ব্যাকরণ) (4) Sayings Starting with "Cross" and "Cry" (4) 6 Idioms Starting with "Close" (3) এ.পি.জে আব্দুল কালাম (3) Adjective (2) Figures of speech Starting with "Come" (2) Preposition (2) grammar (2) voice-active-voice-passive-voice (2) About Us (1) Adverb (1) Believe-in-yourself-sand-stone. (1) Computer Shortcut Keys (1) Motivational speech (1) Noun (1) Parts of Speech: Noun (1) Pronoun (1) Verb (1) এ.পি.জে আব্দুল কালামের অনুপ্রেরণাদায়ক বাণী (1) ব্যবহার এবং অপকারিতা (1)

My Blog List

  • Positive Thoughts - * 1) ‘Dreams are not what you see in your sleep. Dreams* *That's what keeps you awake. '* *2) ‘To be as bright as the sun first* *You have to burn li...
    10 months ago

Popular Posts

Most Popular

জীবন বদলে দেবার মতো উক্তি,গুণীজনের বাণী , যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে

জীবন বদলে দেবার মতো উক্তি  জীবন ও সময় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, জীবন শেখায়, সময়কে ভালোভাবে ব্যবহার করতে। আর সময় শেখায়, জীবনের মূল্য দিতে।...