English to Bengali, বাংলা ও ইংরেজি, Online English to Bengali Tense, English Gramma

শিক্ষায় জীবন

নারকেল জলের উপকারিতা সকলেই জানে। ভাল স্বাস্থ্যের জন্য এর জল যেমন উপকারী, তেমনই উজ্জ্বল ত্বক ও বার্ধক্য প্রতিরোধের জন্যও উপকারী নারকেলের জল।

 নারকেল জলের উপকারিতা সকলেই জানে। ভাল স্বাস্থ্যের জন্য এর জল যেমন উপকারী, তেমনই উজ্জ্বল ত্বক ও বার্ধক্য প্রতিরোধের জন্যও উপকারী নারকেলের জল।


    নারকেল জলের উপকারিতা সকলেই জানে। ভাল স্বাস্থ্যের জন্য এর জল যেমন উপকারী, তেমনই উজ্জ্বল ত্বক ও বার্ধক্য প্রতিরোধের জন্যও উপকারী নারকেলের জল। ফুটিফাটা রোদে স্বস্তি দিতেও এর কোনও তুলনা হয় না। দেখে নিন নারকেলের জল থেকে কী কী উপকার পাওয়া যায়।


১) হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ: নারকেল হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এর জল নিয়মীত পান করলে আমাদের বাজে কোলেস্টেরল কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। যার ফলে হার্টের সমস্যা গুলো প্রতিরোধে সাহায্য করে।


২) হ্যাংওভার কাটানো: রাতের বেলা মদ পান করেছেন? হ্যাংওভার কাটছে না? কোনও চিন্তা নেই। সকাল বেলা খালি নারকেল জল পান করে নিন। নিমেষে দূর হয়ে যাবে সবকিছু। শরীরে হাইড্রেট এবং ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখার ফলে চাঙ্গা করে তুলবে আপনাকে।


৩) ওজন কমানো: ওজন কমানোর জন্য রোজ নারকেল জল পান করুন। এই জল লো-ক্যালোরি। হজম করতেও দ্রুত সাহায্য করে। তাই রোগা হতে চাইলে অবশ্যই পান করুন নারকেল জল।

৪)মাইগ্রেনের ব্যথা উপশোম: শরীরে ম্যাগনেশিয়াম কমে গেলে মাইগ্রেনের সমস্যায় পড়তে হয়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন নারকেলের জল মাইগ্রেন ও সেই সঙ্গে মাথাব্যথা কমাতেও সাহায্য করে।


৫)ব্লাড-সুগার নিয়ন্ত্রণ: নারকেল জলে অ্যমাইনো অ্যাসিড থাকে। যার ফলে ব্লাড-সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।


৬) বয়েস বাড়ার হাত থেকে রক্ষা: নারকেলের জল নিয়ম করে লাগালে বয়স বাড়ার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এ ছাড়া বয়স জনিত রোগের উপশমে এর কোনও তুলনা হয় না।


৭) রিহাইড্রেশন করতে সাহায্য: নারকেল জল এনার্জি ড্রিঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


৮) উচ্চ রক্তচাপ কমানো: নারকেল জলে পটাশিয়াম থাকার ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

     

       নারকেল, পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল প্রচুর উপকারী আমাদের শরীরের জন্য৷ নারকেল গাছকে বলা হয়ে থাকে ট্রি অব লাইফ৷ এর ঔষধি গুনের (Medicinal Benefits of Coconut) জন্যও এর চাহিদা প্রচুর৷ বিশ্বব্যাপী খাবার, পানীয়, ঘর সাজানোর জিনিসপত্র তৈরি, ওষুধ তৈরিতে নারকেল ব্যবহৃত হয়ে থাকে৷


     নারকেলের বিজ্ঞানসম্মত নাম Cocos nucifera. এর ভিতরের জল, নরম শাঁস, দুধ, তেল, বাইরের শক্ত আবরণ এ সবকিছুই ব্যবহৃত হয়৷ নারকেলের (Nutritional Value of Coconut) মধ্যে বিদ্যমান বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল আমাদের শরীরকে বহু রোগের হাত থেকে (Benefits of Coconut) রক্ষা করে৷ এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়েই তুলে ধরা হল৷



    নারকেল শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে৷ ফলে বিভিন্ন সমস্যা থেকে হার্ট সুরক্ষিত থাকে৷


      নারকেল আমাদের হজম শক্তি বাড়িয়ে তোলে৷ নারকেল খেলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে বলে দাবি করা হয়৷


    নারকেলের মধ্যে থাকা মিনারেলস্ আমাদের হাড়ের শক্তি বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয়৷ এতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়কে যেমন মজবুত করে তেমনই দাঁতের ক্ষয় রোধ করে দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করে৷


    নিয়মিত নারকেল খেলে ত্বক ভালো থাকে৷ ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি পায়৷ বলিরেখা পড়াকে আটকাতে সাহায্য করে নারকেল৷


    নারকেলের তেলেও রয়েছে প্রচুর গুন৷ তাই ঘরে ঘরে নারকেলের তেলের ব্যবহার আজও একইভাবে হয়ে চলেছে৷ এই তেল ব্যবহারে আমাদের শুষ্ক ত্বক যেমন নরম থাকে, তেমনই চুল মজবুত হয়৷ নারকেলের তেল লিভারের সমস্যা হ্রাস করে এবং হজমে সাহায্য করে৷

    বিভিন্ন ক্ষত এবং জ্বালা কমাতে নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার৷ শীতকালে আমাদের ত্বককে ফেটে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে নারকেলের তেল৷


    ডায়াবেটিস-এর সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য যেমন এটি উপকারী তেমনই অ্যালজাইমার্স-এর হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে এই নারকেল তেল৷


   আমাদের শরীরের আভ্যন্তরীণ শক্তি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও নারকেল তেলের ভূমিকা রয়েছে৷


   বিভিন্ন সংক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে নারকেলের তেল৷ থাইরয়েড-এর সমস্যা হোক বা স্ট্রেচ মার্ক দূরীকরণ, নারকেলের তেলের ওপর অনেকেই ভরসা করেন৷


   তবে নারকেল তেল বেশি ব্যবহার করলে সমস্যা হতে পারে৷ অ্যালার্জি থেকে ডায়েরিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ তাই নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণে নারকেল এবং নারকেল তেলের ব্যবহার আমাদের শরীরকে বহু সমস্যা থেকে রক্ষা করে থাকে৷

পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

স্বাভাবিকভাবে ওজন কমানোর উপায় , Weight Loss Tricks In Bengali.

 স্বাভাবিকভাবে ওজন কমানোর উপায়  , Weight Loss Tricks In Bengali.

আমাদের যাদের ওজন বাড়ার ধাত আছে, তাদের পক্ষে ওজন কমানোটা (weight loss) একটা চ্যালেঞ্জিং (challenging) ব্যাপার. ইন্টারনেটে অনেক রকমের ওজন কমানোর উপায় (weight loss) আছে, এমনকি একদিনে একটা নির্দিষ্ট পরিমান ওজন কমানোর (weight loss) উপায়ও (tricks) আপনি পাবেন. কিন্তু এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই উপায়গুলো (tricks) কোনো কাজ করে না. কারণ ঝটপট করে প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে ওজন কমানোর (weight loss) চেষ্টা করলে বেশিরভাগ সময়েই তা উল্টো ফল দেয়. আপনি হয়তো ওজন কমিয়ে (weight loss) নিলেন, কিন্তু দেখা গেলো যে অন্য কোনো শারীরিক অসুবিধে আপনার জীবনে আসতে শুরু করলো. তাই তাড়াহুড়ো না করে স্বাভাবিক নিয়মে যদি আপনি আপনার ওজন কমানোর (weight loss) চেষ্টা করেন, তাহলে সেটা কার্যকরীও হবে এবং দীর্ঘস্থায়ীও হবে. শুধু কয়েকটা নিয়ম মেনে চলতে হবে একটু. আজ আমরা আপনাকে ১৩ টি Weight Loss Tips জানাবো, যাতে আপনি স্বাভাবিক ভাবে নিজের ওজন কমাতে পারেন (Weight Loss Tricks) এবং নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণেও রাখতে পারেন.


১. বেশি করে প্রোটিন খান

আমাদের অনেকেরই ধারণা আছে যে কম খেলে বা না খেয়ে থাকলে তাড়াতাড়ি ওজন কমে (weight loss). ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল. পেট খালি রাখলে ফ্যাট (fat) জমার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে. আর শরীরে যথেষ্ট পুষ্টির (nutrition) অভাবে আপনি দুর্বল হয়ে পড়েন. ফলস্বরূপ, আপনার ইমিউনিটি (immunity) কমতে থাকে এবং অসুস্থ হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি হয়ে যায়. তাই খাওয়া বন্ধ করবেন না. বরঞ্চ খাবারে প্রোটিন যোগ করুন. বেশি করে প্রোটিন খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কমে এবং প্রোটিন যেহেতু অনেক বেশি পুষ্টিকর, ফলে আপনার শরীরও ফিট থাকে. 



২. সিঙ্গেল ইনগ্রেডিয়েন্ট (single-ingredient) খাবার খান

না, শুধু একটা খাবার খেতে বলছি না. সিঙ্গেল ইনগ্রেডিয়েন্ট (single-ingredient) ফুড অর্থাৎ  যে খাবারগুলো প্রসেস (Processed)  করা নয়, সেই খাবার খান. রোজকার খাবার যেগুলো আমরা বাড়িতে তৈরী করে খাই, যেমন ডাল, ভাত, রুটি, মাছ, সবজি এসব. ফ্রেশ খাবার খান. আপনি যদি ডায়েটের দিকে বেশি নজর দিতে চান তাহলে সাদা ভাতের বদলে ব্রাউন রাইস খেতে পারেন. ব্রাউন রাইসে পুষ্টি (nutrition)  বেশি এবং যেহেতু এটি রিফাইন্ড বা পালিশ করা হয় না তাই শরীরে কোনো ক্ষতিও করে না. তা ছাড়া ফল, শাক-সবজি এগুলো বেশি করে খান. 



৩. প্রসেসড (Processed) এবং Canned খাবার একদম না

সত্যি কথা বলতে কি আমরা সবাই এখন এতটাই ব্যস্ত যে নিজেদের জন্য সময় বার করা খুব কষ্টকর. তার ওপর যদি আবার রান্না করতে হয়, সে সময় নেই কারো কাছে. তাই অনেকসময়ই আমরা প্রসেসড  (Processed) এবং Canned খাবার খেয়ে নি. সময়ও বাঁচে আর খাবার গুলো খেতেও খুব একটা খারাপ না. কিন্তু আপনি কি জানেন যে এই প্রসেসড (Processed) এবং Canned খাবার আপনার কতটা ক্ষতি করছে? আর আপনি যদি ওজন কমাতে  (weight loss) চান, তাহলে কিন্তু আপনার এই ধরণের খাবার একেবারেই খাওয়া চলবে না. 




৪. হেলদি স্ন্যাক্স খান (Healthy Snacks)

ওজন কমানোর (weight loss) জন্য খাওয়া-দাওয়া করাটা খুব জরুরি, কিন্তু তা বলে যা ইচ্ছে তাই খেলে কিন্তু আপনার সমস্ত পরিশ্রম ব্যর্থ! বিকেলের দিকে বা সন্ধ্যাবেলা যখন অল্প খিদে পায় তখন মনে হয় কিছু হালকা খাবার খাই. আর বেশিরভাগ সময়েই আমরা চিপস, চানাচুর বা ভাজা-ভুজি খেয়ে নি. আপনিও তাই করেন তো? যদি এতদিন তাই করে থাকেন, তাহলে এখন থেকে আর সেটা করবেন না. যখন একবার ঠিক করে নিয়েছেন যে ওজন (weight loss) কমাবেন, তখন ডায়েটের দিকেও নজর দিন. ভাজার পরিবর্তে হেলদি স্ন্যাক্স (healthy snacks) খান. দই, শশা দিয়ে মুড়ি, বাদাম, ডিমসেদ্ধ এগুলো খান. 



৫. মিষ্টি না খেলেই ভালো

মিষ্টি খেতে আমরা অনেকেই ভালোবাসি আর মিষ্টি কিন্তু ওজন কমানোর (weight loss) পথে একটি বড় বাধা! মিষ্টি মানে যে কোনো রকমের মিষ্টিই – চিনি থেকে আরম্ভ করে ক্যান্ডি – যে কোনো রকমের মিষ্টি জিনিস খাওয়া বন্ধ করুন. যদি একান্তই খুব কষ্ট হয়, তাহলে মাসে একদিন অল্প ডেসার্ট খেতে পারেন. কিন্তু চা-কফিতে চিনির পরিমান কমিয়ে ফেলুন. 



৬. জল খান

জল খেলে ওজন কমে (weight loss) – কিন্তু তা বলে শুধু কি আর জল খেয়ে থাকতে বলছি? বলছি জল খাবার পরিমানটা বাড়াতে, আর নির্দিষ্ট সময়ে জল খেতে. সকালে ঘুম থেকে উঠে ২ গ্লাস জল খান. এতে আপনার সিস্টেম ক্লিয়ার হয় এবং শরীরে জমে থাকা টক্সিন (toxin) ফ্লাশ আউট (flush out) হয়ে যায়. যখনি খাবার খাবেন, তার আগে এক গ্লাস জল খান, এতে আপনার পেট ভরা ভরা লাগবে এবং আপনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাবার খাবেন না. তা ছাড়া অনেক সময় আমরা তেষ্টা পেলে সফ্ট-ড্রিঙ্কস বা শরবত খেয়ে নি, তার বদলে জল খেয়ে তেষ্টা মেটান. এতে আপনার শরীরে এক্সট্রা ক্যালোরিও ঢুকলো না আবার তেষ্টাও মিটলো!



 ৭. ঘুমোন

ওজন কমানোর (weight loss) জন্য এবং সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ঘুমোনোটা খুব প্রয়োজন. যদি ঘুম সম্পূর্ণ না হয়, তাহলে সারাদিন একটা ক্লান্তিভাব থাকে আর কোনো কাজ করতে ইচ্ছে করে না. আর আপনি কি জানেন, ঘুম কম হলে খিদেও বেশি পায়? তাছাড়া ঘুম কম হলে ওবেসিটির (obesity) মত সমস্যাও আসতে পারে, তখন কিন্তু ওজন কমাতে (weight loss) পারবেন না. তাই ঠিক সময়ে শুতে যান এবং সকালে তাড়াতাড়ি উঠুন. .


৮. এক্সারসাইজ (exercise)

দেখুন, ওজন কম করতে (weight loss) হলে একটু তো খাটতেই হবে,তাই না? এক্সারসাইজ (exercise) করাটা সে জন্য খুব দরকার. নিয়মিতভাবে এক্সারসাইজ (exercise) করুন, সেটা জিমে গিয়েই হোক কিংবা বাড়িতে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ (exercise) করেই হোক. সেরকম হলে সকালবেলা বাড়ির পাশেই কয়েকপাক দৌড়ে আসুন. আর যদি আপনি ফিটনেস নিয়ে একটু বেশি সিরিয়াস হন, তাহলে জগিং, কার্ডিও, ব্রিকস বা হাইকিং করতে পারেন. সাঁতার কাটাও কিন্তু একটা ভালো এক্সারসাইজ(exercise). দিনে অন্তত এক ঘন্টা ব্যায়াম (exercise) করুন. যোগ ব্যায়াম (yoga) করতে পারেন.




৯. ঝাল খান

না, কাঁচা কাঁচা লঙ্কা চিবোতে বলছি না. আপনি যদি ঝাল খেতে পছন্দ করেন, তাহলে জেনে রাখুন, লঙ্কা কিন্তু ওজন কমাতে (weight loss) সাহায্য করে. ঝাল খাবার খেলে আমাদের মেটাবলিসম ৮% বেশি তাড়াতাড়ি কাজ করে. ডিনারে অন্যান্য খাবারের সাথে কাঁচা লঙ্কা খান. এতে ফ্যাট বার্ন হয়. তাছাড়া দেখা গেছে, যারা ঝাল খান, তারা আস্তে আস্তে চিবিয়ে চিবিয়ে খাবার খান যেটা ওজন কমানোর (weight loss) জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ. 



১০. খাবার আগে স্যুপ (soup) খান

সম্প্রতি একটা রিসার্চে জানা গেছে যে খাবার খাওয়ার ১ ঘন্টা আগে যদি একবাটি স্যুপ (soup) খেয়ে নেওয়া যায়, তাহলে খিদে কম পায়. এর ফলে আপনি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খান না এবং আপনার পেটও ভর্তি থাকে. ফলে আপনার ওজন কমতে (weight loss) বাধ্য. 



১১. খাবার পর দাঁত মাজুন

অনেকেই খাবার পর দাঁত মাজেন. হ্যাঁ, যতবার খাবার খান, প্রতিবারই দাঁত মাজেন. দাঁত মাজার পরে অনেকেই খেতে পছন্দ করেন না. তাছাড়া দাঁত মাজার পর মুখে টেস্ট পাওয়া যায় না ফলে বারবার অপ্রয়োজনে খাবার ইচ্ছেটা চলে যায়. তাই আপনিও যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখতে পারেন. সব সময় যদি টুথব্রাশ সঙ্গে রাখা সম্ভব না হয়, তাহলে একটা ছোট মাউথ-ওয়াশের বোতল রাখুন. একই কাজ করবে.



 ১২. শোবার আগে এক কাপ গ্রিন-টি খান

শোবার আগে এক কাপ গ্রিন-টি অবশ্যই খান. গ্রিন-টি মেটাবলিসম বাড়াতে সাহায্য করে আর ঘুমের মধ্যেও ফ্যাট বার্ন হতে থাকে. শুধু যে ওজন কমাতে  (weight loss) গ্রিন-টি (green tea) সাহায্য করে তা না, ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে. কিন্তু মনে রাখবেন, গ্রিন-টিতে (green tea) ক্যাফেইনের পরিমান কফির থেকে বেশি থাকে. তাই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি গ্রিন-টি (green tea) খাওয়াও কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর. 



১৩. হাসুন

হাসা একরকমের এরোবিক এক্সারসাইজ (exercise). আপনি কি জানেন, যদি আপনি ১ ঘন্টা প্রাণখুলে হাসেন, তাতে ঠিক ততটাই ওজন কমে যতটা ৩০ মিনিট ধরে ওয়েট -লিফটিং করলে কমে? প্রতিদিন ১ ঘন্টা প্রানখুলে হাসলে আপনার প্রায় ৪০০ ক্যালোরি বার্ন হয়. ১ ঘন্টা সম্ভব না হলে অন্তত ১৫ মিনিট সময় বার করে প্রতিদিন লাফিং এক্সারসাইজ (exercise) করুন.



পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?

    হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?

হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?
 হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখা থেকে হজমে সাহায্য করা, আর কী গুণ রয়েছে ফুলকপির ?

       ফুলকপিতে রয়েছে সালফোরাফেন। এই উপাদান ক্যান্সারের স্টেম সেল মেরে টিউমারের বৃদ্ধি আটকায়। ফুলকপির এই উপাদান প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

     ফুলকপি ফাইবার-সমৃদ্ধ। যা হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। ফুলকপির সালফোরাফেন রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে

    ফুলকপিতে রয়েছে কোলিন। এটি এক ধরনের ভিটামিন বি। যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভাল রাখে

    ফুলকপিতে থাকা সালফোরাফেন, ভিটামিন সি ও ফোলাট ওজন ঝরাতে সাহায্য করে

    এটি ভিটামিন কে সমৃদ্ধ। যা হাড় শক্ত রাখে

    ফুলকপিতে উপস্থিত ফাইবার হজমে সাহায্য করে

    কিডনি রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে ফুলকপিতে থাকা ফাইটোকেমিক্যালস

    এই সবজিতে থাকা সালফোরাফেন রেটিনা নষ্ট হওয়া রোধ করে

উচ্চমাত্রায় ফাইবার থাকায় ফুলকপি রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করতে পারে

     ফুলকপিতে থাকা বিভিন্ন রকমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চামড়ার ডার্ক স্পট কাটাতে সাহায্য করে (ডিসক্লেমার : এগুলি এবিপি আনন্দর সাজেশন মাত্র। যে কোনও রকম রোগের ক্ষেত্রে কী সব্জি খাবেন বা কী ডায়েট চার্ট ফলো করবেন তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন)।

   

   সারা বছর ধরেই এখন ফুলকপি বাজারে পাওয়া যায়। তবে শীতকালীন ভাল সব্জির মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। দেখতে একদম ফুলের মতো বলেই এর নাম ফুলকপি। বাঙালির আবার ফুলকপির প্রতি দুর্বলতা রয়েছে। সে খিচুড়িই হোক, বা সব্জির তরকারি, সবেতেই ফুলকপি দেওয়া চাই-ই চাই।

     এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শীতকালের জন্য ফুলকপি আর ফুলকপির জন্যই বোধহয় শীতকাল!

     সারা বছর ধরেই এখন ফুলকপি বাজারে পাওয়া যায়। তবে শীতকালীন ভাল সব্জির মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। দেখতে একদম ফুলের মতো বলেই এর নাম ফুলকপি। বাঙালির আবার ফুলকপির প্রতি দুর্বলতা রয়েছে। সে খিচুড়িই হোক, বা সব্জির তরকারি, সবেতেই ফুলকপি দেওয়া চাই-ই চাই। তবে বেশি খাওয়া একদমই উচিত নয়।

     আগে আমরা মটরশুটি নিয়ে কথা বলেছিলাম। এবার আলোচনা করব ফুলকপির গুণাবলী নিয়ে।

     ১. ফুলকপির খাদ্যগুণ অপরিসীম। ১০০ গ্রাম ফুলকপি থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোক্যালোরি সক্তি পাওয়া যায়। এছাড়া এই সব্জি থেকে ৫-৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২ গ্রাম প্রোটিন, ০.৩ গ্রামের মত ফ্যাট পাওয়া যায়। এছাড়া ভিটামিন C, ভিটামিন K, ক্যালসিয়াম, আয়রন থাকে।

২. ফুলকপিতে প্রচুর পরিমানে জল আর তন্তু থাকে। এতে শরীর খুব ভাল থাকে। ডায়াবেটিস রোগীরা ফুলকপি নিঃসন্দেহে খেতে পারেন।

৩. ফুলকপি মুখের ভিতর মিউকাস মেমব্রেনকে ঠিক রাখে।

৪. প্রোস্টেট ক্যানসারের জন্য ফুলকপি খুবই উপকারী। এই সব্জি ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে।

৫. শিশু বা বয়স্করা ফুলকপি খেতে পারেন। কারণ, ফুলকপি দেহে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা অনেকাংশেই বাড়িয়ে তোলে।

৬. সেদ্ধ ফুলকপি খেতে পারেন। তবে যাঁরা গ্যাস বা অম্বল রোগে ভোগেন তাঁদের ফুলকপি না খাওয়াই ভালো।

৭. যাদের থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে, তাঁদেরও এই সব্জি না খাওয়াই ভাল।

৮. বর্তমানে ফুলকপি চাষে অত্যন্ত রাসায়নিক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। তাই রান্না করার আগে ঈষদুষ্ণ জলে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর জল ছেঁকে ফুলকপি রান্না করুন।


পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হনতাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন
 
এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

 

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 


Thank You 

ধনের উপকারিতা, ব্যবহার এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ধনের অন্যান্য উপকারিতা - Other benefits of Coriander in Bengali

ধনের উপকারিতা, ব্যবহার এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া - Coriander Benefits, Uses and Side Effects in Bengali


        ধনে বা সিলান্ত্র একটি বাৎসরিক গাছড়া যা সাংস্কৃতিক ভারতীয় রান্নায় ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। খাদ্যাভ্যাসগত ফাইবারের একটি ভাল উৎস হিসেবে পরিচিত, কোরিয়ানড্রাম সাতিভাম-এর প্রচুর ঔষধিগুণ রয়েছে। বিভিন্ন সভ্যতা ধনে ব্যবহার করে আসছে প্রথাগত নিরাময়কারী এবং খাবার সুস্বাদু করার প্রতিনিধি হিসেবে। ধনে গাছ তার সম্পূর্ণতায় পেট্রোসেলিনিক অ্যাসিড এবং অপরিহার্য তেলের মত লিপিডের একটি সমৃদ্ধ উৎস।

          দক্ষিণ ইউরোপ এবং উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার স্থানীয় হিসেবে পরিচিত, ধনে হল একটি নরম গাছড়া যা সাধারণত 50সেমি উচ্চতার হয়। এর পাতার নিম্নভাগ হয় বিস্তৃত লতির মত এবং বাইরের প্রান্তগুলির দিকে হয় পাতলা এবং পালকের মত এবং এটি বিভিন্ন আকৃতির হয়ে থাকে। আয়ুর্বেদে ধনেকে অত্যন্ত প্রশংসা করা হয়েছে একটি ত্রিশোদিক (তিনটি উপকারিতা প্রদান করে) মশলা হিসেবে যেটি খিদে বাড়ায়, হজমে সাহায্য করে, এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

           ধনেতে বেশ কিছু জৈবিক উপাদান রয়েছে যার ফলে এই গাছড়ার বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন ঔষধিগুণ প্রদর্শন করে। এগুলির মধ্যে পরে ডায়বিটিসবিরোধী, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, জীবাণুবিরোধী, মৃগীরোগ-বিরোধী (মৃগীরোগ প্রতিরোধ করে), অবসাদ-বিরোধী, প্রদাহবিরোধী (ফুলে যাওয়া রোধ করে), ডিসলিপিডেমিক-বিরোধী (রক্তে কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসেরাইডের রূপে থাকা লিপিড কমায়), স্নায়ু সুরক্ষাকারী (স্মৃতিশক্তির কোষগুলি রক্ষা করে), হাইপারটেনসিভ-বিরোধী (রক্তচাপ কমায়) এবং মূত্রবর্ধক (প্রস্রাব বাড়ায়) বৈশিষ্ট্য।

ধনের বিষয়ে কিছু মৌলিক তথ্য

বোটানিকাল নামঃ কোরিয়ানড্রাম সাতিভাম
পরিবারঃ অ্যাপিকাসি
প্রচলিত নামঃ ধনে, সিলান্ত্র, চীনা পারস্লে
সংস্কৃত নামঃ ধানিয়া
ব্যবহৃত অংশঃ পাতা, কাণ্ড, বীজ
স্থানীয় অঞ্চল এবং ভৌগলিক বন্টনঃ দক্ষিণ ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ পশ্চিম আফ্রিকা
ধনের পুষ্টিগুণের তথ্য 
ধনেপাতার উপকারিতা
বৃক্কের জন্য ধনেপাতা 
কোলেস্টেরলের জন্য ধনেপাতা 
যকৃতের জন্য ধনেপাতা 
ভাল স্মৃতিশক্তির জন্য ধনেপাতা
রক্তচাপের জন্য ধনেপাতা 
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে ধনেপাতা 
ধনেপাতার রসের উপকারিতা 
ওজন কমানোর জন্য ধনেপাতার রস 
চুল পড়ার জন্য ধনেপাতার রস 
সুস্থ ত্বকের জন্য ধনেপাতার রস 
ধনের ঔষধিগুণ
বাতের জন্য ধনে 
অ্যালজাইমার’স রোগের জন্য ধনে 
উদ্বেগ এবং বিষণ্নতার জন্য ধনে 
ক্যানসারের জন্য ধনে 
চুলকানি এবং অ্যালার্জির জন্য ধনে 
মূত্রনালির সংক্রমনে ধনে 
ধনের অন্যান্য উপকারিতা 
সুস্থ চোখের জন্য ধনে 
মৌখিক স্বাস্থ্যবিধির জন্য ধনে 
জীবাণুর সংক্রমণের জন্য ধনে 
খাদ্যে বিষক্রিয়ার জন্য ধনে 
ভারী ধাতু অপসারণের জন্য ধনে 
কি করে বানাবেন ধনের রস 
ধনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 
ধনের পুষ্টিগুণের তথ্য 
ধনে তার স্বাস্থপকারিতার জন্য পরিচিত। USDA অনুযায়ী, 100 গ্রা ধনের পরিবেশনের পুষ্টিগুন এই তালিকায় দেওয়া রয়েছে।


ধনেপাতার উপকারিতা 
        ধনেপাতা বরাবরই বেশিরভাগ খাবারে মশলা (স্বাদ বৃদ্ধিকারক) হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। উপরন্তু এও দেখা গেছে যে ধনের ব্যবহারের ফলে বেশ কিছু স্বাস্থপকারিতা পাওয়া গেছে। এই প্রবন্ধে ধনের ব্যবহারের ফলে ভাল স্বাস্থ্যের উন্নীত হওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

            ধনে গাছড়াটির সম্পূর্ণটারই বেশ কিছু ব্যবহার এবং উপকারিতা রয়েছে। ধনেপাতার কিছু ব্যবহার এবং স্বাস্থপকারিতার বিষয়ে খতিয়ে দেখা যাক।

বৃক্কের জন্য ধনেপাতা - Coriander leaves for kidney in Bengali
     পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, লোহা, ম্যাঙ্গানিজ, এবং ম্যাগনেসিয়ামের মত একগুচ্ছ খনিজ বস্তু পাওয়া যায় ধনেতে। সর্বোত্তম স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-এর মত ভিটামিন এবং বিটা-ক্যারোটিন (এক ধরণের রজক যা ভিটামিন এ তৈরির জন্য দায়ী) যা ধনেপাতায় পাওয়া যায়। ধনেপাতা একটি মুত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং বৃক্কের পরিষ্কার করার প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। এর ফলে প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ে এবং ক্ষতিকারক বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বার করে দেয়।

কোলেস্টেরলের জন্য ধনেপাতা - Coriander leaves for cholesterol in Bengali

ধনেতে থাকা জৈব যৌগ শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এই যৌগগুলি শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সাধারণ পর্যায়ে নিয়ে আসে। নিয়মিত ধনের সেবনের ফলে কম ঘনত্বের কোলেস্টেরল (এলডিএল) এবং অত্যন্ত কম ঘনত্বের কোলেস্টেরল (ভিএলডিএল) কম শতাংশে পাওয়া গেছে কার্ডিওভাসকুলার রোগের রুগীদের মধ্যে।

ধনে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে রক্তে থাকা ট্রাইগ্লিসেরাইড কমিয়ে এবং উচ্চ ঘনত্বের কোলেস্টেরল (এইছডিএল) যা ভাল কোলেস্টেরল হিসেবেও পরিচিত।


যকৃতের জন্য ধনেপাতা - Coriander leaves for the liver in Bengali
      মানব শরীরের বিপাকীয় ক্রিয়ার সিংহভাগ যকৃতের দ্বারা সঞ্চালিত হয়। কোরিয়ানড্রাম সাতিভাম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ থাকার দরুন হেপাটোপ্রোটেক্তিভ (যকৃৎ রক্ষা করে) হিসেবে কাজ করে ক্যাটালেজ, গ্লুটথিয়েন পেরক্সাইডেস, এবং সুপারক্সাইড ডিসমুটেজের মত কিছু এনজাইমের ক্রিয়া বাড়িয়ে দিয়ে। এই এনজাইমগুলি হাইড্রক্সিল র‍্যাডিকালের (ক্ষতিকারক প্রতিনিধি) মত বিষাক্ত পদার্থ নাশ করে এদের সাথে একাত্ম হয়ে এবং যকৃতের সঠিক কার্যকলাপ উন্নত করে।

       ভাল স্মৃতিশক্তির জন্য ধনেপাতা - Coriander leaves for good memory in Bengali
ধনের ওপর হওয়া ব্যাপক গবেষণা দৃঢ়ভাবে সুপারিশ করে যে এই গাছড়াটি স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে উল্লেখযোগ্য ভাবে সাহায্য করে।

          প্রাথমিক যে পদ্ধতিতে ধনে স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে তা হল কোলিনেরেস্টেস এনজাইম রোধ করে (একটি এনজাইম যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে থাকে) যেটি এসিটিলকোলিন নামক একটি স্নায়ুপ্রেরকের (স্নায়ুর সংকেত সরবরাহে সাহায্য করে) ভাঙনের জন্য দায়ী।

        এসিটিলকোলিন শরীরের পেশীর কোষগুলিকে সক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয়। ধনে মস্তিষ্কে অক্সিডেটিভ চাপ কমায় যেটি কোলিনেরেস্টেসের ক্রিয়া রোধ করে, এবং এসিটিলকোলিনের গড়ে তলা উন্নীত করে। ফলত, সেটি স্মৃতিশক্তি উন্নত করে।

রক্তচাপের জন্য ধনেপাতা - Coriander leaves for blood pressure in Bengali
ধনেপাতা দিয়ে তৈরি করা সালাদ প্রায়ই উচ্চ রক্তচাপের রুগীদের ক্ষেত্রে উপকারী পাওয়া গেছে।

        ধনে ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ যা এসিটিলকোলিনের সাথে পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে রক্ত থেকে চাপ মুক্ত করে।

         ধনে সেবনের সেইজন্য রক্তচাপ কমানোর ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা রয়েছে। ধনের এই বৈশিষ্ট্য কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এবং স্ট্রোকের মত বিভিন্ন ধরণের কার্ডিওভাসকুলার (হৃদয়ের) রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

        অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে ধনেপাতা - Coriander leaves as antioxidants in Bengali
মানব শরীর ক্রমাগত বাহ্যিক পারিপার্শ্বিক পরিবেশের বিষাক্ত পদার্থের সামনে উন্মুক্ত হয়।

         এইসব বিষাক্ত পদার্থের সাথে প্রতিক্রিয়ার ফলে শরীর ফ্রি র‍্যাডিকাল তৈরি করে যা কোষের ক্ষতি করে এবং দীর্ঘ মেয়াদে হৃদরোগ, ডায়বিটিস এবং ক্যানসারের মত রোগের জন্ম দেয়।

       ধনে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভাল উৎস। ধনেপাতা থেকে তৈরি করা নির্যাস অক্সিডেটিভ চাপ কমাতে পারে গ্লুটাথায়নের মত বৃহৎ সংখ্যক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সাহায্যে যা ফ্রি র‍্যডিকাল থেকে হওয়া ক্ষতি কমিয়ে দেয়।




ধনেপাতার রসের উপকারিতা - Coriander leaves juice benefits in Bengali
        টাটকা ধনেপাতা জলে চূর্ণ করলে যে রস পাওয়া যায় তার প্রচুর স্বাস্থপকারিতা রয়েছে। এছাড়াও, প্রচুর প্রস্তুতি (মিশ্রণ) তৈরি করা হয় ধনেপাতা চূর্ণ করে এবং তার সঙ্গে অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে এবং তা ব্যবহার করা হয় তার স্বাস্থপকারিতার জন্য। ধনেপাতার থেকে তৈরি করা রসের প্রধান সুবিধাগুলি নিচে আলোচনা করা হয়েছে।

    ওজন কমানোর জন্য ধনেপাতার রস - Coriander leaves juice for weight loss in Bengali
বিশেষজ্ঞেরা বারংবর ধনেপাতার রস সুপারিশ করে আসছেন কার্যকর ভাবে ওজন কমানোর জন্য।

ধনেপাতায় থাকা অপরিহার্য তেল অন্ত্রের যাবতীয় জীবাণু নিষ্কাসিত করে স্থুলতার জন্য দায়ী সকল বিষাক্ত পদার্থ দূর করে দেয়।

       উপরন্তু, ধনেপাতায় থাকা পলিফেনল চর্বির সাথে লড়ে এবং তার জমে ওঠা প্রতিরোধ করে। ধনেপাতার রসের এইসব বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি লোকজনের মধ্যে ওজন কমাতে উন্নীত হয়।

চুল পড়ার জন্য ধনেপাতার রস - Coriander leaves juice for hair loss in Bengali
         ধনেপাতার রস বা পেস্ট চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করতে পারে। ধনে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে-তে সমৃদ্ধ। কেরাটিন হল সেই প্রোটিন যা চুলের গুটিকা শক্তিশালী করতে চুল ভেঙে যাওয়া থেকে আটকাতে প্রয়োজন।

        ভিটামিন কে প্রয়োজন কেরাটিন তৈরি হতে। ধনেপাতার রস সেবনের ফলে কেরাটিন প্রোটিনের গঠন এবং জমা শুরু হতে সাহায্য পায়। ফলত উন্নত চুলের বেড়ে ওঠা শুরু হয়। এর ফলে চুলের পরিমাণ এবং চাকচিক্য বাড়ে।  

সুস্থ ত্বকের জন্য ধনেপাতার রস - Coriander leaves juice for healthy skin in Bengali
         ধনের পাতা রস হিসেবে খেলে বা পেস্ট হিসেবে ব্যবহার করলে ব্রণ এবং ব্ল্যাকহেড কমায়। তৈলাক্ত ত্বকের ব্যক্তিরা ধনেপাতার রস বা পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করতে।

        ধনেপাতার রসে জীবাণুবিরোধী এবং ছত্রাকবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি একটি পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে এবং সকল প্রকার জীবাণু এবং ছত্রাক যার কারণে তৈলাক্ত ত্বক এবং অন্যান্য ত্বকের সমস্যা হয় তা নিষ্কাসিত করে দেয়।

ধনের ঔষধিগুণ - Medicinal Benefits of Coriander in Bengali
     উপরুক্ত স্বাস্থপকারিতা বাদেও ধনের কিছু উপকারী ঔষধিগুণ রয়েছে বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে। এইসব ঔষধিগুণ নিচে বিশদে আলোচনা করা হয়েছে।

        শরীরকে বিষমুক্ত করেঃ ধনে যকৃৎ এবং বৃক্কের কার্যকারিতা উন্নত করে, যেগুলি আমাদের শরীরের প্রাকৃতিক বিষনাশক অঙ্গ। এটি মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাসন বাড়িয়ে দেয়।
        মস্তিষ্কের ক্রিয়া উন্নত করেঃ ধনেপাতার মস্তিষ্কে অ্যান্টিঅক্সিডেটিভ প্রভাব রয়েছে যেটিকে স্মৃতিশক্তি এবং চেতনা উন্নত করতে দেখা গেছে। এটি স্নায়ুক্ষয়কারী রোগ হওয়ার আশঙ্কাও কমিয়ে দেয় চাপ-বিরোধী এবং অবসাদ-বিরোধী প্রভাব বিস্তার করার সাথে সাথে।
       ওজন কমানো উন্নীত করেঃ ধনের বিষনাশক প্রভাব এটিকে একটি দুর্দান্ত ওজন কমানোর নিরাময় তৈরি করে। এটি শরীরে চর্বি জমা কমায় এবং অন্ত্রের আনুবিক উদ্ভিদ উন্নত করে, যার ফলে শরীরের ওজন কমে।
       ত্বকের উপকারিতাঃ ধনেপাতার রস এবং পেস্ট, খেলে বা ব্যবহার করলে তা ব্রণ এবং ব্ল্যাকহেড কমায় বলে জানা যায়। এটি ত্বকে ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক বেড়ে ওঠা রোধ করে এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক।
      মৌখিক স্বাস্থ্য উন্নত করেঃ ধনে হল একধরনের প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া-বিরোধী যা টাকরা পরিষ্কার করে এবং নিশ্বাসের দুর্গন্ধ কমায়। এটি মুখের আলসার কমাতেও কার্যকর বলে সুপারিশ করা করা।
       মূত্রনালীর সংক্রমণের জন্যঃ ধনের দ্বৈত উপকারিতা রয়েছে মূত্রনালীর সংক্রমণের লক্ষণগুলির ক্ষেত্রে। এটি শুধুমাত্র শরীর থেকে প্যাথোজেন নিষ্কাসিত করে দিতেই সাহায্য করে না, এটি মূত্রনালিতে জীবাণুর বেড়ে ওঠায় বাধা দেয়।

বাতের জন্য ধনে - Coriander for arthritis in Bengali
      কোরিয়ানড্রাম সাতিভাম-এর প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ধনের এই প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত কার্যকর বাতের মত অসুস্থতার ক্ষেত্রে। যেই রুগীরা গাঁট ফুলে ওঠার কারণে বাতে ভোগেন তারা ত্বকের ফুলে ওঠা এবং ত্বকে দানা হওয়ায় ভোগেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে ধনে ত্বকের ফুলে ওঠা কমায় যার ফলে অস্বস্তি কমে এবং আপনার ত্বকের অবস্থার উন্নতি হয়।

অ্যালজাইমার’স রোগের জন্য ধনে - Coriander for Alzheimer’s Disease in Bengali
      অ্যালজাইমার’সের মত স্নায়ুক্ষয়কারী (স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষয়) রোগ প্রতিরোধ করা যেতে পারে ধনের ডোজের ওপর নির্ভর করে। এসিটিলকোলিন নামক স্নায়ুপ্রেরকের ঘাটতির কারণে তা অ্যালজাইমার’সের আকার ধারন করে। এসিটিলকোলিন পেশীর নড়াচড়ার জন্যেও প্রয়োজন এবং এর ক্ষয় পক্ষাঘাতের মত অবস্থায় রূপান্তরিত হতে পারে। ধনে কোলিনেরেস্টেস এনজাইমের ক্রিয়া আটকে এই রোগ প্রতিরোধ করে যেটি এসিটিলকোলিনের ভাঙ্গনের জন্য দায়ী।

উদ্বেগ এবং বিষণ্নতার জন্য ধনে - Coriander for anxiety and depression in Bengali
       ধনে ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হয় এর অবসাদ-বিরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য। বিশেষজ্ঞেরা অ্যালজাইমার’সের ওপর ধনের প্রভাব বোঝার পড়াশোনাতে আবিষ্কার করেছেন এর সম্ভাব্যতা রয়েছে উদ্বেগ নিরাময়ের। গবেষণায় পাওয়া গেছে ধনের উদ্বায়ী তেল স্নায়ুতন্ত্রের রুগীদের দিলে, উদ্বেগ এবং চাপের বিপরীত ক্রিয়া ঘটাতে সাহায্য করে। এটি প্রধানত সম্ভব হয় গ্লুটাথায়নের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে, যেটি মস্তিষ্কের অক্সিডেটিভ-বিরোধী ক্রিয়া বাড়িয়ে তোলে। এইভাবে উদ্বেগ এবং চাপের অবস্থাগুলি কমে।




ক্যানসারের জন্য ধনে - Coriander for cancer in Bengali
       ধনে ক্যানসারের বিরুদ্ধে কার্যকর হিসেবে দাবি করা হয় কারণ এর মিউটাজেনিক-বিরোধী (যেই পরিব্যক্তিগুলি ক্যানসারে রূপান্তরিত হয় সেগুলি কমায়) বৈশিষ্ট্য রয়েছে। একটি গবেষণায় ধনের রসে মিউটাজেনিক-বিরোধী বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে। যা ডিএনএ-তে পরিব্যক্তি কমায়, বিশেষত ক্যানসারজনক পণ্যের। ধনের ক্যানসার-বিরোধী হিসেবে কাজ করার সম্ভাব্যতা, যদিও, এখনও ইন-ভিভো পরীক্ষা হওয়া বাকি।

চুলকানি এবং অ্যালার্জির জন্য ধনে - Coriander for rashes and allergies in Bengali
       ধনে তার প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য প্রখ্যাত। আয়ুর্বেদিক অনুশীলনকারীরা ধনের রস সুপারিশ করেন চুলকানি, প্রদাহ, চামড়ায় ফুসকুড়ি এবং পোকামাকড়ের কামড় থেকে হওয়া অ্যালার্জির চিকিৎসা করতে। ধনের রস পুড়ে যাওয়া, খড় জ্বরের (অ্যালার্জিক রাইনিটিস) চিকিৎসাতেও কার্যকর।

মূত্রনালির সংক্রমনে ধনে - Coriander for urinary tract infections in Bengali
      মূত্রনালি সংক্রমণ (ইউটিআই) প্রধানত হয় যৌনাঙ্গে প্যাথোজেন থেকে হওয়া সংক্রমণ থেকে যেই কারণে প্রস্রাব করার সময় আমাদের জ্বালার অনুভব হয়। বিভিন্ন প্রথাগত চিকিৎসায়, ধনে ব্যবহার করা হয়েছে মুত্রনালির সংক্রমণ সারাতে এটির জীবাণুবিরোধী এবং মুত্রবর্ধকের বৈশিষ্ট্যের জন্য এবং ইউটিআই রোগের কারণ যে প্যাথোজেন তার বিরুদ্ধে কার্যকর হওয়ার জন্য, যেগুলি সাধারণত ওষুধের প্রতিরোধী।  

ধনের অন্যান্য উপকারিতা - Other benefits of Coriander in Bengali
       ধনের স্বাস্থপকারিতা এবং ঔষধিগুণ ছাড়াও কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা রয়েছে রোজকার খাদ্যাভ্যাসে অন্তর্ভুক্ত করলে। ধনের অন্যান্য উপকারিতা এখানে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

সুস্থ চোখের জন্য ধনে - Coriander for healthy eyes in Bengali
        ধনে ভিটামিন এ-র একটি সমৃদ্ধ উৎস, যেটি রড এবং কোন কোষ, যেগুলি দৃষ্টিতে সহায়তা করে, তার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন। ধনেতে উচ্চ পরিমাণে থাকা ভিটামিন এ চোখ রক্ষা করতে কাজে লাগে। এটি রাতকানা হওয়াও প্রতিরোধ করে। ধনেতে থাকা ভিটামিন এ আসে ক্যারোটিনয়েড থেকে বিটা-ক্যারোটিন (যার থেকে ভিটামিন এ তৈরি হয়) হিসেবে। এবং সেই কারণে অত্যন্ত বেশি পরিমাণেরও কোন বিষক্রিয়া নেই।  

মৌখিক স্বাস্থ্যবিধির জন্য ধনে - Coriander for oral hygiene in Bengali
       ধনে ব্যবহার করা যেতে পারে একক ভাবে বা লবঙ্গের মত পরিষ্কারক প্রতিনিধির সাথে মিশিয়ে এবং কার্যকর ভাবে মৌখিক স্বাস্থ্যবিধির জন্য। ধনেতে থাকা অপরিহার্য তেল, সিত্রনেললের বীজবারক হিসেবে কার্যকারিতা রয়েছে। মুখের আলসার সারাতে এই বৈশিষ্ট্যটি সাহায্য করে এবং নিশ্বাস পরিষ্কার করে। গবেষণা দাবি করে যে মুখের আলসার উল্লেখযোগ্য কমে ধনের পেস্ট ব্যবহার করলে।

জীবাণুর সংক্রমণের জন্য ধনে - Coriander for microbial infections in Bengali
      ধনে প্রচুর জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে এর অপরিহার্য তেলে দীর্ঘ চেনের অ্যালডিহাইড থাকার দরুন। লিস্টারিয়া মনোসাইটোজিনস, সালমেনেলা এন্টারিকা, এসেরিশিয়া কোলি, বসিউলাস স্পপি, স্টাফাইলোকোকাস অরেয়াস এবং ক্যান্ডিড এলবিক্যান্সের হল কিছু প্যাথোজেন, যেগুলি একগুচ্ছ গুরুতর সংক্রমণ তৈরি করে। এগুলি প্রতিরোধ করা যেতে পারে ধনে ব্যবহার করে।

খাদ্যে বিষক্রিয়ার জন্য ধনে - Coriander for food poisoning in Bengali
        ধনের সেবনের ফলে অন্ত্র পরিষ্কার থাকে এবং জীবাণুজাত সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। অপ্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের মত প্যাথোজেন শরীরে ঢুকতে পারে খারাপ পরিবেশে তৈরি করা খাবার খেলে। ধনের জীবাণুবিরোধী বৈশিষ্ট্য যেকোনো ধরণের খাদ্যের বিষক্রিয়া রোধ করে যা খাদ্যজাত প্যাথোজেন থেকে হয় এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।  

ভারী ধাতু অপসারণের জন্য ধনে - Coriander for removing of heavy metals in Bengali
       একটি গবেষণা অনুযায়ী শরীরে দূষণের কারণে জমা ভারি ধাতু অপসারণ করে দেয় ধনে এবং তার থেকে হওয়া ক্ষতি নুন্যতম করে দেয়। শিষা, ক্যাডমিয়াম, আর্সেনিক, মার্কারির মত ভারি ধাতু শরীরের জৈব চাপ বৃদ্ধি করে এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির ক্ষতি করতে পারে। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ বারবার ফিরে আসতে পারে যেগুলি হার্পিস সিম্পলেক্স এবং ক্ল্যামিডিয়া ট্র্যাকোমাটিসের মত প্যাথোজেন থেকে হয়। ধনে এইসব ক্ষতিকারক ধাতুর শরীর থেকে নিষ্কাসন উন্নত করে এবং শরীরকে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে।

কি করে বানাবেন ধনের রস - How to make coriander juice in Bengali
বিভিন্ন স্বাস্থপকারিতার জন্য খাওয়া ধনের রস বাড়িতেই তৈরি করা যায় নিম্নোক্ত সহজ পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে।

এক মুঠো ধনেপাতা ভালভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে তারপর তা সুক্ষভাবে কেটে নিন।
½ কাপ জলে ধনেপাতা যোগ করুন এবং সেটি জুসারে পিষে নিন।
    ছাকনিতে রসটি ছেঁকে নিন এবং তৎক্ষণাৎ পরিবেশন করুন। রসটিকে খাওয়ার জন্য আরও তরল করতে পারেন অতিরিক্ত জল যোগ করে (প্রায় ¼ কাপ) ।


ধনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া - Side effects of coriander in Bengali
     ধনে সাধারণত খাওয়ার জন্য সুরক্ষিত মনে করা হয় সাধারণ পরিমাণে এবং ওষুধ হিসেবে প্রস্তাবিত পরিমাণ খেলেও তা নির্ভরযোগ্য। যদিও, কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে যেগুলি নিম্নলিখিতগুলির অন্তর্ভুক্ত।

       পেটে ব্যথা এবং ডাইরিয়া সৃষ্টিকারী কিছু ধরণের ধনে কিছু লোকজনের কাছ থেকে জানা গেছে। যদি অবস্থা একই থাকে, একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা বাঞ্ছনীয়।
     ধনের অতিরিক্ত সেবন কিছু ধরণের অ্যালার্জির রূপ নিতে পারে কিছু লোকের ক্ষেত্রে। কোন ধরণের অ্যালার্জি যদি বেড়ে ওঠে, তৎক্ষণাৎ আপনার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন এবং সঠিক পরামর্শ অবধি এর ব্যবহার বন্ধ রাখুন।
ধনে অতিরিক্ত সেবন করলে তা কিছু লোকজনের মধ্যে রক্তচাপ অত্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। এর ফলে হালকা মাথা ঘোড়া বা অসাড়তা দেখা দিতে পারে।
     শ্বাসযন্ত্রের রোগে ভোগা কিছু লোকজনের একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা দরকার ধনে সেবন করা আগে কারণ নিঃশ্বাসের দুর্বলতা এবং শ্বাসযন্ত্রের রোগের মত কিছু অবস্থা কিছু লোকজনের মধ্যে দেখা গেছে।
     ধনেতে থাকা অ্যাসিডিক উপাদান কিছু লোকজনের মধ্যে সূর্যের আলর প্রতি সংবেদনশীলতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ধনে সেবন করা ফলে কিছু লোকজনের মধ্যে বুকের ব্যথার খবর পাওয়া গেছে। সেহেতু ঔষধীয় কারণের জন্য ধনে সেবন করার আগে একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা অত্যন্ত দরকারি।
       ধনে মানুষের প্রজনন গ্রন্থির ক্ষতি করতে পারে এবং গর্ভবতী মহিলাদের ভ্রূণ উন্নয়ন ব্যাহত করে দিতে পারে। সেহেতু গর্ভবতী মহিলাদের অতিরিক্ত পরিমাণে ধনে সেবন করা উচিৎ নয়।

পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ 
আমাদের পোস্ট টি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে অথবা এই পোস্ট থেকে আপনি যদি উপকৃত হন, তাহলে আপনার একটি মূল্যবান কমেন্ট করেদিন, 
 এতে আমরা আরো অনুপ্রাণিত হতে পারি।  

আপনার একটি কমেন্ট আমাদের আরো বেশি উৎসাহিত করে 

Thank You 


Labels

Present Tense (25) Normal English Lessons (15) মধু খাওয়ার উপকারিতা (14) Tense (12) Regular English Lessons (11) জীবন বদলে দেওয়ার মতো 30 টি বাণী (11) রসুনের উপকারিতা (10) Interrogative Sentence (8) Negative Sentence (8) Swami Vivekananda Bani in Bengali – বিবেকানন্দের অমূল্য বাণী (8) Affirmative Sentence (হাঁ -বাচক ) (7) Interrogative Negative (7) পেয়ারার উপকারিতা (7) কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট কোড এবং টেকনিক – (keyboard shortcuts) (6) রবীন্দ্রনাথের বাণী সমগ্র (6) 7 Idioms Starting with "Cold" (4) Parts of Speech-English Grammar (ইংরেজি ব্যাকরণ) (4) Sayings Starting with "Cross" and "Cry" (4) 6 Idioms Starting with "Close" (3) এ.পি.জে আব্দুল কালাম (3) Adjective (2) Figures of speech Starting with "Come" (2) Preposition (2) grammar (2) voice-active-voice-passive-voice (2) About Us (1) Adverb (1) Believe-in-yourself-sand-stone. (1) Computer Shortcut Keys (1) Motivational speech (1) Noun (1) Parts of Speech: Noun (1) Pronoun (1) Verb (1) এ.পি.জে আব্দুল কালামের অনুপ্রেরণাদায়ক বাণী (1) ব্যবহার এবং অপকারিতা (1)

My Blog List

  • Positive Thoughts - * 1) ‘Dreams are not what you see in your sleep. Dreams* *That's what keeps you awake. '* *2) ‘To be as bright as the sun first* *You have to burn li...
    10 months ago

Popular Posts

Most Popular

জীবন বদলে দেবার মতো উক্তি,গুণীজনের বাণী , যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে

জীবন বদলে দেবার মতো উক্তি  জীবন ও সময় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, জীবন শেখায়, সময়কে ভালোভাবে ব্যবহার করতে। আর সময় শেখায়, জীবনের মূল্য দিতে।...